দিনের পর দিন সুন্দরবনে লবণাক্ততার পরিমাণ বাড়ছে। এর মূল কারণ সমুদ্রের জলস্তর বাড়ছে ফলে সমুদ্রের জল ভিতরে ঢুকছে। অপরদিকে মিষ্টি জলের যে প্রবাহ সেই জলের স্রোত কমে মজে যাচ্ছে। ফলে মোহনার দিকে মিষ্টি জল কম যাচ্ছে। এই প্রকল্পের জন্য খরচ হবে কয়েক হাজার কোটি টাকা। এর জন্য এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেবে রাজ্য।
advertisement
আরও পড়ুন: আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা এই ৪ খাবারের স্বাদ না নিলে দার্জিলিং ঘোরা মাটি! দেখে নিন তালিকা
এই প্রকল্পের ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি রিপোর্ট’ এবং ‘ডিটেইলড প্রোজেক্ট রিপোর্ট’ বানানোর জন্য সম্প্রতি টেন্ডার ডেকেছে রাজ্য সেচ দফতর। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আদিগঙ্গা ও পিয়ালির মতো ছোট নদী ও খাল সংস্কার করা হবে। এর সঙ্গে বিদ্যাধরী, রায়মঙ্গল, মাতলা, মুড়িগঙ্গা-সহ সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীতে মিষ্টি জলের প্রবাহ বজায় রাখা হবে। এই কাজ করতে পারলে সুন্দরবনে মিষ্টি জলের প্রবাহ বাড়ানো যাবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জানা গিয়েছে, বিশ্বব্যাঙ্কের সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীর জলে সর্বোচ্চ ২৭ পিপিটি এবং সর্বনিম্ন ১৩ পিপিটি পর্যন্ত লবণাক্ততা পাওয়া গিয়েছে। ২০৫০ সালে সেটা বেড়ে হবে ৩১-৩২ পিপিটি। যার ফলে অনেক উদ্ভিদ ও জীবজন্তু নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ফলে দ্রুত এই কাজ করতে হবে সুন্দরবনকে বাঁচানোর জন্য।






