সুন্দরবনের প্রান্তিক এই এলাকায় শ্মশান বলতে নদীর তীরে একসময় দাহ করতেন স্থানীয়রা। এই দৃশ্য দেখে স্থানীয় এক ব্যক্তি শংকর হালদার, যিনি পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, তিনি এই ছবি পরিবর্তন করতে নতুন কাজ শুরু করেছেন। যাতে খুশি সকলেই। পূর্ব শ্রীধরপুরে নদীর তীরে শ্মশান নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলেছে দ্রুত গতিতে। শ্মশান যাত্রীদের জন্য তৈরি হচ্ছে ঘর।

advertisement

আরও পড়ুন: নদীর রাক্ষুসে গ্রাস থেকে এবার বাঁচাবে ‘সবুজ সৈন্য’, সুন্দরবনের ভাঙন রুখতে নতুন দাওয়াই! পুরোটা জানুন

এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ছিল একটি সুসংগঠিত শ্মশানের অভাব। বর্ষার দিনে কাদা, শীতকালে তীব্র ঠান্ডা, আর গ্রীষ্মে প্রচন্ড রৌদ্রের মধ্যে শেষ বিদায় জানাতে হত প্রিয়জনকে। এই কথা ভাবায় শংকর হালদারকে। তিনি এবং আরও বেশ কিছু ব্যক্তির উদ্যোগে শ্মশান এলাকা সেজে উঠছে নতুনভাবে। আধুনিক ডিজাইন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং মর্যাদাপূর্ণ শেষ যাত্রার সমস্ত ব্যবস্থা থাকবে এই শ্মশানে।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

চতুর্দিকে লাগানো হয়েছে সুন্দরী গাছ, সুন্দরী গাছের জঙ্গল দিয়ে ঘেরা শান্তির হাতছানি। শ্মশান যাত্রীদের জন্য তৈরি হয়েছে সুন্দর একটি ঘর।  এ নিয়ে শংকর হালদার জানিয়েছেন, শ্মশানে যুক্ত হবে সৌর চালিত আলো। থাকবে পানীয় জলের ব্যবস্থা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে আধুনিক ব্যবস্থা, মৃতদেহ বহনকারী গাড়ির জন্য ঘর থাকবে। সবুজায়ন হবে সুন্দরী গাছ দিয়ে। মানুষের শেষ যাত্রাও যেন হয় সম্মানজনক, সেই লক্ষ্যেই এই কাজ বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

advertisement