পুলিশ ও পুরসভা মিলে সমাধানের চেষ্টা হয়েছিল। কয়েকদিন ঠিক থাকলেও আবার পুরনো অবস্থায় ফিরে গিয়েছে পরিস্থিতি। তবে বিষয়টি নিয়ে আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছি।’ আর বারুইপুর পুলিশ জেলার এক আধিকারিক বলেন, ‘বড় লরি কখন এই শহরে ঢুকতে পারবে, তার কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে যানজট সমস্যা দূর করার চেষ্টা হচ্ছে।’ উল্লেখ্য, জয়নগর শহরে ঢোকার মুখে উত্তরপাড়া মোড় থেকে শুরু হয় যানজট। গঞ্জের মোড়ে বাজারের দিকে এগোলে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: ছোটেননি চাকরির পিছনে, বিএড পাশ করেও পেশা চাষবাস! দাঁতনের এই প্রবীণ সাহিত্যিক জ্ঞানের ভাণ্ডার
রাস্তা সংকীর্ণ। তার মধ্যে ঢুকে পড়েছে পরপর বড় লরি। অভিযোগ, ওই এলাকায় থাকে না কোনও ট্রাফিক পুলিশ। তবে আছেন সিভিক ভলান্টিয়ারা। কিন্তু তাঁদেরকে থোড়াই কেয়ার করেন লরি চালকরা। থানার মোড়ের কাছে গিয়ে গাড়ি আর এগোতে পারে না। কারণ, রাস্তার দু’ধারে যত্রতত্র দাঁড়িয়ে থাকে বাইক। মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলে টোটো-অটো। অন্যদিকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে জয়নগর থানা। এই ব্যস্ত রাস্তায় যাতায়াত করতে গিয়ে যানজটে আটকে পড়ছে পুলিশের গাড়িও।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একই অবস্থা রথতলা মোড়েও। স্টেশন রোডের অবস্থাও একই। এখানেও রাস্তার দু’পাশে অটোর লম্বা লাইন দেখা যায়। কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে হিমশিম খান। এই পরিস্থিতিতে তিতিবিরক্ত স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা। যানজটে রাস্তায় আটকে পড়ে আটকে অ্যাম্বুলেন্সও। অনেক সময় রোগীরল অবস্থার অবনতি হয়। দ্রুত এই সমস্যা থেকে মুক্তি চাইছেন স্থানীয়রা। চাইছেন প্রশাসনের পদক্ষেপ।






