প্লাস্টিক, থার্মোকলের প্লেট, খাবারের প্যাকেটসহ নানা বর্জ্যে ভরে যায় বেলাভূমি। মেলা শেষ হতেই দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই ছিল প্রশাসনের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যকে আরও জোরালো করতে মন্ত্রীদের এই প্রতীকী উদ্যোগ বলে মনে করছেন অনেকে। উপস্থিত ছিলেন, রাজ্যের রাজ্যের বিদ্যুৎ ও আবাসন দফতরের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী, উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের মন্ত্রী পুলক রায়, কৃষি ও বিপণন বিভাগের মন্ত্রী বেচারাম মান্না, পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী, অগ্নি নির্বাপন এবং দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু সহ অন্য আধিকারিকরা।

advertisement

আরও পড়ুন: নুরপুরে নদীর চড়ে ধাক্কা বিশালাকার বার্জের! নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মারাত্মক ঘটনা, আতঙ্কিত স্থানীয়রা

ঝাঁটা হাতে মন্ত্রীদের সঙ্গে যোগ দেন প্রশাসনের আধিকারিক, সাফাই কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরাও। সমুদ্র সৈকত জুড়ে চলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। মন্ত্রীদের বক্তব্য, “গঙ্গাসাগর শুধু ধর্মীয় তীর্থ নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। সৈকত পরিষ্কার রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব। এই বার্তা সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে চাই।”

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, ইতিমধ্যে ১ কোটি ৩০ লক্ষ পুণ্যার্থী এই গঙ্গাসাগরে এসেছেন। পুণ্যার্থীরা জানিয়েছেন, গঙ্গাসাগর মেলা জাতীয় মেলা। পুণ্যার্থীরাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, মন্ত্রীদের এমন উদ্যোগ দেখে সাধারণ মানুষও ভবিষ্যতে সৈকত নোংরা না করার বিষয়ে আরও সচেতন হবেন। সবমিলিয়ে বলাই যায়, গঙ্গাসাগর মেলায় এই উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষার এক ইতিবাচক বার্তাও রেখে গেল।

advertisement