এদিন দায়িত্ব গ্রহণের পরেই সঞ্চারী বলেন, “উপাচার্যের অভাবের জন্য যেসব কাজ দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল, সেগুলি দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা আমার লক্ষ্য। সেই সঙ্গেই অনেক বৈঠক হয়নি, সেগুলি করতে হবে।“
advertisement
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো উন্নয়ন করে কিছু নতুন বিষয় চালু করার ক্ষেত্রে উদ্যোগী হওয়ার কথাও জানিয়েছেন নয়া উপাচার্য। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়েও আশার বার্তা শুনিয়েছেন তিনি। সঞ্চারী জানান, খুব তাড়াতাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক ডেকে এই নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়া উপাচার্য নিযুক্ত হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মাধবচন্দ্র অধিকারী বলেন, “বেশ কয়েক বছর ধরে উপাচার্য হিসেবে কাউকে নিযুক্ত না করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু জরুরি কাজ আটকে ছিল। এবার সেইসব কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে।“
প্রসঙ্গত, বছর তিনেক আগে তথা ২০২৩ সালে কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য দেবকুমার মুখোপাধ্যায়ের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়। এর কিছু সময় পর নিখিলেশ রায়কে অস্থায়ী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করা হলেও সেই নিয়ে বেশ কিছু জটিলতা দেখা দেয়। এরপর তিনি পদত্যাগ করলে কোচবিহারের এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ ফাঁকাই ছিল। অবশেষে সেই শূন্যতা দূর হল।
