সোমবার প্রাথমিক ভাবে ২৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল আইএসএফ৷ যদিও শুক্রবার আইএসএফ নেতৃত্ব জানিয়েছিলেন, জোটসঙ্গী বামফ্রন্টের সঙ্গে তাঁদের ২৯ আসনে রফা হয়েছে৷ তবে সেই ২৯টিই প্রকাশ হল না এদিন৷ মালদহের এক প্রার্থীর নাম প্রকাশ করলেও, বাদ থাকল মুর্শিদাবাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা৷
advertisement
আইএসএফের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, শওকত মোল্লার ছেড়ে আসা আসন ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র থেকে আইএসএফের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন সদ্য দলে যোগ দেওয়া একদা তৃণমূলের ‘তাজা ছেলে’ আরাবুল ইসলাম৷ ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ভাঙড় কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন আরাবুল৷
প্রসঙ্গত, সেই ২০১৬ সাল থেকেই ক্যানিং পূর্ব থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছেন শওকত মোল্লা৷ দু’বারের বিধায়ককে এবার ভাঙড়ে লড়তে পাঠিয়েছে তাঁর দল তৃণমূল৷ এই কেন্দ্র থেকেই গত নির্বাচনে বাম-আইএসএফ জোটের হয়ে একটি মাত্র আসনে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকী৷ একুশের পরে ছাব্বিশের নির্বাচনে সেই ভাঙড় থেকেই তাঁকে প্রার্থী করেছে তাঁর দল৷
আইএসএফের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা
গত শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে আইএসএফ-এর তরফে জানানো হয়েছিল, বামেরা প্রার্থী দিলেও নন্দীগ্রাম, মুরারই, পাঁশকুড়া (পশ্চিম)ও ভগবানগোলায় প্রার্থী দিতে চায় তারা৷ এদিনের প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বিশিষ্ট শিক্ষক মওলানা মহঃ শবে মিরাজ খানকে৷ পাঁশকুড়া পশ্চিম থেকে আফজল আলু শাহ, মুরারই থেকে হজরত আলি (সওদাগর)-কে৷
বামেদের সঙ্গে যে কেন্দ্রগুলি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে সেগুলি হল ই আসনগুলির মধ্যে রয়েছে, এর মধ্যে হুগলি জেলার খানাকুল, হরিপাল সহ মোথাবাড়ি, সুজাপুর, সমশেরগঞ্জ, রঘুনাথগঞ্জ হরিহরপাড়া, নাকাশিপাড়া, অশোকনগর, মধ্যমগ্রাম, আলমডাঙ্গা, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, বসিরহাট (উত্তর), বাদুড়িয়া, বাসন্তী, কুলপি, মল্লিক বাজার, ক্যানিং (পূর্ব) ও ক্যানিং (পশ্চিম), মগরাহাট ,ভাঙ্গড়, উলবেরিয়া (পূর্ব) ও জগৎবল্লভপুর, মহিলাদল, শালবনি, বারাবনি ও বোলপুর।