এরপর প্রতিযোগীদের চোখ গামছা দিয়ে বেঁধে সেই বৃত্তের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয় হাঁসটিকে ধরার জন্য। বাঁশির শব্দে শুরু হয় খেলা, আর তখনই শুরু হয় হুল্লোড়, হাসি আর উত্তেজনা।
চোখ বাঁধা অবস্থায় হাঁস খুঁজতে গিয়ে প্রতিযোগীরা অনেক সময় একে অপরকেই হাঁস ভেবে ধরে ফেলছেন, কখনো ধাক্কা খাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাচ্ছেন।
advertisement
আরও পড়ুন – Sky Diving: ভয়কে হারিয়ে আকাশ ছুঁলেন মহিমা উত্তরবঙ্গের প্রথম মহিলা স্কাই ডাইভারের অনুপ্রেরণার গল্প
এই সব দৃশ্য দেখে চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকরা হাসিতে ফেটে পড়ছেন, তৈরি হচ্ছে এক আনন্দঘন পরিবেশ। অঅনেকক্ষণ চেষ্টার পর অবশেষে এক কিশোরের হাতেই ধরা পড়ে হাঁসটি। সঙ্গে সঙ্গে করতালি আর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা এলাকা।
বিজয়ীও হাঁসটি দুই হাতে তুলে ধরে দর্শকদের অভিনন্দনের জবাব দেন। বর্তমান সময়ে মোবাইল, ইন্টারনেট ও ভিডিও গেমে ডুবে থাকা প্রজন্মকে মাঠমুখী করতেই এই উদ্যোগ বলে জানান আয়োজকেরা। তাদের মতে, এই ধরনের গ্রামীণ খেলাধুলা শুধু বিনোদনই নয়, মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়ায় এবং শারীরিক-মানসিক সুস্থতাও বজায় রাখতে সাহায্য করে।
Julfikar Molla





