তাঁর কথায়, এতদিন এদের “খারাপ কাজে ব্যবহার” করা হয়েছে, কিন্তু আইএসএফ তাদের মেইনস্ট্রিমে এনে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। শুধু তাই নয়, তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে নওশাদ দাবি করেন, এই দলগুলোই সমাজের কিছু মানুষকে খুনোখুনি ও হানাহানির জন্য ব্যবহার করে। আইএসএফ সেই রাজনীতির বিকল্প তৈরি করতে চাইছে, যেখানে “খারাপ ইমেজ”এর মানুষদেরও সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে।সমালোচনার জবাবেও তিনি অনড়, “আপনারা সমালোচনা করতেই পারেন, কিন্তু সময় দিন, কাজ দেখুন।”
advertisement
সংবিধান যে সংশোধনের সুযোগ দেয়, সেটাকেই সামনে রেখেই আইএসএফ এগোচ্ছে বলে দাবি তাঁর।সব মিলিয়ে, আরাবুলকে প্রার্থী করা নিয়ে বিতর্ক থামেনি, বরং নওশাদের ‘সংশোধন তত্ত্ব’ নতুন করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা উসকে দিল।
শুক্রবারই জানিয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকি৷ ইদের পরেই প্রাথমিক ভাবে প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবেন তাঁরা৷ তাই সোমবারের দিকে নজর ছিল সকলেরই৷ এবারের আইএসএফ-এর প্রার্থী তালিকায় মূলত দু’টি বিষয়ে নজর ছিল, এক, দলে নতুন যোগ দেওয়া আরাবুল ইসলামকে কোন কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাবে নওশাদের দল, আর, দুই, নওশাদের ‘গড়’ ভাঙতে ভাঙড়ে যে শওকত মোল্লাকে ‘পাঠিয়েছে’ তৃণমূল, তারপরে সেখানে নওশাদ প্রার্থী হবেন কি না? দুই প্রশ্নেরই উত্তর মিলল এদিনের প্রকাশিত তালিকায়৷






