তবে ছোটবেলা থেকেই গাড়ির প্রতি অদ্ভুত টান ছিল দেবরাজের। ছোট গাড়ি চালানো দিয়ে শুরু, তারপর ধীরে ধীরে বড় গাড়ি, আর একদিন সে পৌঁছে যায় ভলভো বাসের স্টিয়ারিংয়ে। শ্যামলী পরিবহন নামক বাস সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে কলকাতা থেকে শিলিগুড়ির দীর্ঘ রুটই হয়ে ওঠে তার নিত্যসঙ্গী। কিন্তু গল্পটা এখানেই থেমে থাকেনি। একদিন হঠাৎ করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন দেবরাজ। নিজের কাজের ফাঁকে, যাত্রাপথের ছোট ছোট মুহূর্ত, গান, গল্প সবকিছুই ধরা পড়তে থাকে ভিডিওতে। প্রথমে কেউ দেখত না, কিন্তু ধীরে ধীরে সেই সাধারণ কথাবার্তাতেই খুঁজে পায় মানুষ নিজের মতো একজনকে। আর সেখান থেকেই জন্ম হয় ‘স্মার্ট দাদা’র।
advertisement
আরও পড়ুনঃ দশম শ্রেণি পাস করেই ড্রোন পাইলট হওয়া সম্ভব, মাত্র ৫ দিনের প্রশিক্ষণে মাসে লাখ টাকা পর্যন্ত আয়
আরও পড়ুনঃ ‘দেখেই জলে ঝাঁপ দিই, নিজে ওঁর পেট থেকে…’, রাহুলকে উদ্ধার করেন এই ভগীরথই! ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানুন
আজ হাজার হাজার মানুষ তাঁর ভিডিওর অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু জনপ্রিয়তার মাঝেও নিজের দায়িত্ব ভুলে যাননি দেবরাজ। গাড়ি চালানোর সময় কখনোই হাতে নেন না মোবাইল। পাশে থাকা সহকারীই সেইসব ভিডিও করে। তার একটাই কথা, “স্টিয়ারিংয়ে বসা মানে শুধু নিজের নয়, ৫০-৬০ জন মানুষের জীবনের দায়িত্ব নেওয়া। আজ বহু বাস ও ট্রাক চালক তার পথ অনুসরণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় এসেসছেন। কিন্তু স্টিয়ারিং আর স্ক্রিন, দুই জগতকে সমান দক্ষতায় সামলে, এক সাধারণ বাস ড্রাইভার থেকে আজ অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছেন ‘স্মার্ট দাদা’।”





