জানা গিয়েছে, বিভাগের অন্তর্গত মোট আটটি রেঞ্জের অস্থায়ী বনকর্মীরা এই আন্দোলনে শামিল হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বছরের পর বছর একই দায়িত্ব পালন করলেও স্থায়ী কর্মীদের তুলনায় বেতন ও সুযোগ-সুবিধায় তাঁরা বঞ্চিত। বহুবার লিখিত ও মৌখিকভাবে দাবি জানানো হলেও সুরাহা হয়নি বলেই দাবি আন্দোলনকারীদের।
advertisement
ধর্নার দ্বিতীয় দিন পার হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত বন বিভাগের কোনও উচ্চপদস্থ আধিকারিক আলোচনায় বসতে এগিয়ে আসেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, “আমরাই জঙ্গল রক্ষা করি, বন্যপ্রাণ বাঁচাই, অথচ আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। অবিলম্বে দাবি মানতে হবে।” বনকর্মীরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না এলে বন বিভাগের নিয়মিত কাজকর্ম বন্ধ রাখা হবে এবং আন্দোলন বৃহত্তর আকার নেবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এতে বন দফতরের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও মাঠপর্যায়ের কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশই জটিল হচ্ছে। প্রশাসন এখন কী পদক্ষেপ নেয়, তার দিকেই তাকিয়ে আন্দোলনরত কর্মীরা। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে, নাকি আন্দোলন আরও তীব্র হবে, সেই প্রশ্নেই এখন উত্তাল বৈকুণ্ঠপুর বন বিভাগ চত্বর।






