আরও পড়ুনঃ সঙ্গীতজগতের নক্ষত্রপতন! দীর্ঘ অসুস্থতার পর থামল সুরের যাত্রা, প্রয়াত খ্যাতনামা সুরকার অভিজিৎ মজুমদার
বাহারি আলোর সাজে সেজে ওঠে পুজো মন্ডপ গুলি। রিতিমত দুর্গাপুজোর সঙ্গে পাল্লা দেয় এই সরস্বতী পুজো। বহু দুর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করেন এই গ্রামে। চারদিন ব্যাপী সরস্বতী পুজো হয় এখানে। সম্পূর্ণ গ্রামবাসীদের উদ্যোগেই এই পুজো হয়ে থাকে।
advertisement
এ বিষয়ে পুজোয় অংশগ্রহণকারী ক্লাবের সদস্য মুকেশ মন্ডল বলেন, সাধারণত অন্যান্য জায়গায় মানুষ যে-ভাবে দুর্গাপুজোর জন্য অপেক্ষা করে তারা সরস্বতী পুজোর জন্য অপেক্ষা করেন। এই পুজো তাদের গ্রামের ঐতিহ্য। ছোটবেলা থেকেই এই পুজো দেখে আসছেন তারা। বর্তমানে তারা পুজোর দায়িত্ব নিয়েছেন। তাই জাঁকজমক আরও বেড়েছে।
এ বিষয়ে এই পুজো দেখতে আসা এক দর্শনার্থী রুহি মাহাতো বলেন, বহুবার তিনি এই পুজোর কথা শুনেছেন। কিন্তু সামনে থেকে এই পুজো দেখেননি। এই প্রথম ডুমারি গ্রামে এসে তার খুবই ভালো লাগছে। একেবারে অন্যরকম সরস্বতী পুজো দেখছেন তিনি।
জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের ঢল নামে ডুমারি গ্রামে। দর্শকদের মন কেড়ে নেয় এই পুজো। বিরাট জাঁকজমকের সঙ্গে এই পুজোর আয়োজন হয় বলেই এখানে আসেন দর্শনার্থীরা। দুর্গাপুজোর থেকেও ডুমারি গ্রামবাসীদের কাছে বড় পরব এই সরস্বতী পুজো।





