শুধু শিক্ষকতায় নয়, শিল্পভাবনা ও সৃজনশীলতার ক্ষেত্রেও যে তিনি এক ব্যতিক্রমী প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব, তা আগেও বহুবার প্রমাণ করেছেন তপনবাবু। কখনও বাতিল সামগ্রী দিয়ে কোনারকের সূর্য মন্দিরের প্রতিরূপ, কখনও আবার শুকনো কলাপাতা ও তার ছাল দিয়ে মা কালীর প্রতিমা বানিয়েছেন। প্রতিবারই তাঁর নতুন ভাবনা মুগ্ধ করেছে মানুষকে। এবার সরস্বতী পুজো উপলক্ষে তপন দাস তৈরি করেছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার এক মা সরস্বতীর প্রতিমা।
advertisement
প্রায় ৪ ফুট উচ্চতার এই প্রতিমা তৈরি হয়েছে শুধুমাত্র আর্ট পেপার এবং সুতো ব্যবহার করে। কাঠ, মাটি বা প্লাস্টিক নয়, একেবারেই পরিবেশবান্ধব উপকরণেই ফুটে উঠেছে বিদ্যার দেবীর মূর্তি। এই অভিনব সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় ২৫ দিন। প্রতিদিন নিয়ম করে সময় বের করে, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই শিল্পসৃষ্টিতে তপনবাবুর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছে তাঁর স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। তাদের আগ্রহ, পরিশ্রম ও উৎসাহেই সম্ভব হয়েছে এই ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম।তপনবাবুর কথায়, “ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে এমন কাজ করতে পারা আমার কাছে খুবই আনন্দের। ওদের মধ্যেও যেন সৃজনশীলতার আগ্রহ জন্মায়, সেটাই আমার লক্ষ্য।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সরস্বতী পুজোর প্রাক্কালে এমন এক অভিনব ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। তপন দাস আবারও প্রমাণ করলেন, ইচ্ছাশক্তি আর সৃজনশীল চিন্তা থাকলে সাধারণ জিনিস দিয়েই সৃষ্টি করা যায় অসাধারণ শিল্প। এই উদ্যোগে গর্বিত গুসকরা, গর্বিত পূর্ব বর্ধমান।






