রেস্টুরেন্ট ও হোটেল মালিকদের অভিযোগ, যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক সময়ে কমার্শিয়াল গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং চাহিদা বাড়লেও সেই অনুপাতে জোগান মিলছে না। ফলে প্রতিদিনের ব্যবসা চালানোই কঠিন হয়ে পড়ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় গজিয়ে ওঠা ক্যাফেগুলিতেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। হাবরার একটি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট-এর হেঁসেলেও এদিন সেই সমস্যার ছবি ধরা পড়ল। সাধারণ দিনের তুলনায় ব্যস্ততা অনেকটাই কম।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ১৪ মার্চ সূর্যের মীন রাশিতে গোচর, শুরু খরমাস! কোন রাশির ভাগ্য খুলবে, কার বাড়বে বিপদ?
মালিকপক্ষ জানিয়েছে, সীমিত গ্যাসের জোগান থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করতে হয় এমন অনেক খাবার আপাতত বন্ধ রাখতে হয়েছে। তার বদলে কম গ্যাসে দ্রুত তৈরি করা যায় এমন আইটেমই এখন পরিবেশন করা হচ্ছে ক্রেতাদের। গ্যাসের অভাবে অনেক ক্যাফে ও ছোট হোটেল আবার সাময়িকভাবে দোকান বন্ধও রাখতে বাধ্য হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে ক্রেতাদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
প্রতিদিন কাজের সূত্রে বাইরে বেরিয়ে বহু মানুষ দুপুরের খাবার সারেন হোটেল বা রেস্টুরেন্টে। কিন্তু গ্যাস সংকটের জেরে অনেক জায়গায় খাবার না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে তাঁদের। অনেকেই বাধ্য হয়ে প্যাকেটজাত খাবার খেয়ে সামাল দিচ্ছেন। রেস্টুরেন্ট মালিকদের একাংশের আশঙ্কা, দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামী দিনে এই সংকট আরও বড় আকার নিতে পারে। তাতে একদিকে যেমন ব্যবসায় মারাত্মক প্রভাব পড়বে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খাবারের ব্যবস্থাও সমস্যায় পড়বে। সব মিলিয়ে কমার্শিয়াল গ্যাসের যোগানে ঘাটতি ঘিরে জেলার রেস্টুরেন্ট-হোটেল ও ক্যাফে ব্যবসায়ীদের মধ্যে এখন উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত সমস্যা মেটাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছেন ব্যবসায়ীদের একাংশ।





