কেউ এক সপ্তাহ বা কেউ দু সপ্তাহ ধরে গ্যাস বুক করেছেন, কিন্তু গ্যাস বাড়িতে পৌঁছয়নি। তাই খালি গ্যাস সিলিন্ডার নিয়েই ডিস্ট্রিবিউশন কেন্দ্রে হাজির সাধারণ মানুষজন। গ্যাস না পেয়ে বাইরের খাবার কিনে খাওয়ার উপক্রম হয়েছে অনেকের। এমনকি হোটেল ব্যবসায়ীরাও দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। কারণ তাঁরাও জ্বালানির পেতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। গ্যাস ঠিক ভাবে না পেলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন তারা।
advertisement
এ বিষয়ে এক উপভোক্তা সুজাতা রায় বলেন, অনেক চেষ্টা করেও তার গ্যাস বুকিং হচ্ছে না বিগত বেশ কিছুদিন ধরে। তাই অনেকটাই সমস্যা হচ্ছে তার। কারণ গ্যাস ছাড়া রান্নাবান্না সম্ভব নয়। এ বিষয়ে এক ব্যবসায়ী লালমোহন মাহাতো বলেন, গ্যাসের বিরাট সমস্যা দেখা দিয়েছে। কোনওরকমে কয়লা দিয়ে জ্বালানি জোগাড় করে হোটেল ব্যবসা চালাতে হচ্ছে তাদের। এইভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে তাকে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এ বিষয়ে গ্যাস এক ডিলার সৌমেন দত্ত বলেন, ৪০% গ্যাস তারা দিতে পারছেন। কমার্শিয়াল গ্যাস এখন বন্ধ রয়েছে পুরুলিয়াতে। ডোমেস্টিকের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যারা ডিজিটালি গ্যাস বুক করছেন, তাদেরই গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সেই কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। জ্বালানি সমস্যা দেখা দেওয়ায় অনেকটাই দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে জেলার মানুষজন। এই সমস্যা যাতে দ্রুত সমাধান হয়, সেই অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে।





