এই সবজির বাগানে বর্তমানে পুষ্টিগুণে ভরপুর পেঁপে, গাজর, বিটসহ নানা ধরনের শাকসবজি চাষ করা হচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের মূল উদ্দেশ হল বাজার থেকে কেনা কীটনাশক ও রাসায়নিক সারযুক্ত সবজির উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্যেই বিদ্যালয়ের মিড-ডে-মিলের জন্য প্রয়োজনীয় সবজি এখন সংগ্রহ করা হচ্ছে এই বাগান থেকেই।
advertisement
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোজ কুমার চন্দ্র বলেন, “ছাত্রছাত্রীরা যাতে প্রতিদিন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পায়, সেই ভাবনা থেকেই এই সবজির বাগান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই বাগান থেকেই প্রায় প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় সবজি পাওয়া যাচ্ছে, যা সরাসরি মিড ডে মিলের রান্নায় ব্যবহার করা হচ্ছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এর ফলে একদিকে যেমন বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা পাচ্ছে টাটকা ও পুষ্টিকর খাবার, তেমনই অন্যদিকে পরিবেশবান্ধব ও জৈব চাষাবাদ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতাও গড়ে উঠছে। বিদ্যালয় চত্বরেই হাতে-কলমে চাষাবাদের অভিজ্ঞতা পাচ্ছে ছোট ছোট শিশুরা। খৈরনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ইতিমধ্যেই এলাকাজুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং তা অন্যান্য বিদ্যালয়ের জন্যও এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।





