স্থানীয় এক চাষি জানান, গতবার অনেক গাছে মুকুলই আসেনি। কিন্তু এবছর প্রায় সব গাছেই মুকুল এসেছে, তাই ভাল ফলনের আশা করছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই গাছে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে। যদিও সামনে কালবৈশাখীর ঝড়ের আশঙ্কা থাকলেও চাষিরা আশা করছেন আবহাওয়া অনুকূল আবহাওয়া থাকলে ফলন সন্তোষজনক হবে।
advertisement
এলাকার অভিজ্ঞ আম ব্যবসায়ী শিবু ভট্টাচার্য জানান, তিনি প্রায় ৩৫–৪০ বছর ধরে আমের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর কথায়, এবছর গাছে প্রচুর মুকুল দেখা গেলেও আবহাওয়ার কারণে কিছুটা ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মাঝখানে বৃষ্টি ও কুয়াশার প্রভাব পড়েছে, সামনে ঝড়-বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টির উপর অনেকটাই নির্ভর করবে ফলন। তবে তাঁর কথায় তিনি এত বছর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থেকেও এত মুকুল এই প্রথম দেখলেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই এলাকা থেকে আম মূলত পারুলিয়া ও আশপাশের বাজারে যায়। সেখান থেকে তা বিভিন্ন জেলায় এবং রাজ্যের বাইরেও পাঠানো হয়। কলকাতা, দুর্গাপুর, বর্ধমান, বেনাচিতি ছাড়াও আসাম, বিহার ও নেপাল সীমান্ত এলাকাতেও এখানকার আম সরবরাহ করা হয়। সব মিলিয়ে, প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা না থাকলে এবছর আমের ফলন ভাল হবে বলেই আশা করছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।





