সরকারিভাবে নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ছিল চৌডল প্রতিযোগিতা, টুস গানের প্রতিযোগিতা। মূলত নব প্রজন্মের মধ্যে এই উৎসবের প্রসার ঘটাতে এই আয়োজন করা হয়েছিল। বিগত বছরের ন্যায় এ-বছর মানুষের সমাগম আরও অনেক বেশি হয়েছিল। এ বিষয়ে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা বলেন, নবপ্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা পুরুলিয়া লোকসংস্কৃতি প্রায় ভুলতে বসেছিল।
আরও পড়ুন: পুণ্য অর্জনের সেরা সুযোগ, হাড়কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে গঙ্গাসাগরে জনজোয়ার! দ্বিতীয় দিনেও স্নানের ধুম
advertisement
সরকারিভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় সকলের মধ্যে আবারও মানভূমের লোকসংস্কৃতি প্রসার ঘটছে। গঙ্গাসাগরের মত হয়ে উঠেছে পুরুলিয়ার কাঁসাই নদী। এ বিষয়ে কাঁসাই নদীতে আসা দর্শনার্থীরা বলেন , মকর উপলক্ষে তারা এই নদী পাড়ে এসেছেন। খুবই এনজয় করছেন তারা। তাদের পক্ষে গঙ্গাসাগর গিয়ে মকর উৎসব পালন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। তাই তাদের কাছে এই কাঁসাই নদী যেন হয়ে উঠেছে এক টুকরো গঙ্গাসাগর।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এখানে বসেই তারা গঙ্গাসাগরের অনুভূতি পাচ্ছেন। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের অন্যতম পার্বণ মকর। আপামর বঙ্গবাসী মেতে ওঠে এই উৎসবে। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই পিঠে-পুলির আয়োজন হয়ে থাকে এই উৎসবকে কেন্দ্র করে। জঙ্গলমহলের মানুষদের কাছে প্রাণের উৎসব এটি। প্রায় একমাস ব্যাপী এই উৎসব হতে দেখা যায়। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই এই উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠে আপামর পুরুলিয়াবাসী।





