প্রশাসন ও মন্দির সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার প্রায় সব হোটেল ও লজ ইতিমধ্যেই অগ্রিম বুক হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন মন্দিরে ভক্তদের জন্য যে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা থাকে, সেগুলিও দ্রুত পূর্ণ হয়ে পড়ছে। ফলে গৌর পূর্ণিমার দিন হঠাৎ করে এলে থাকার জায়গা পাওয়া কার্যত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
advertisement
বিশেষ করে ইসকন মায়াপুর মন্দির প্রাঙ্গণে থাকার জন্য ভক্তদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। এখানে গদাভবন, গীতা ভবন, পদ্ম ভবন-সহ একাধিক ভবনে আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে উৎসবের মরশুমে থাকতে গেলে অগ্রিম বুকিং করা বাধ্যতামূলক। চাহিদা এতটাই বেশি যে অনেকে এক থেকে দুই মাস আগেই ঘর সংরক্ষণ করে রাখছেন।
আরও পড়ুন: এই গ্রামেই ছিল তাঁর পৈতৃক ভিটে, মুকুল রায়ের প্রয়াণে কাঁদছে ভাজনঘাট গ্রামের প্রতিটা মানুষ
এমনই এক ভক্ত মহেন্দ্র প্রতাপ দাস সুদূর পুরীধাম থেকে মাসখানেক আগে এসে মায়াপুরে ঘর বুক করে গিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, অগ্রিম বুকিং নিশ্চিত করেই নিশ্চিন্ত মনে পুরী ফিরে যাবেন এবং দোলের সময় আবার মায়াপুরে এসে গৌর পূর্ণিমার মহোৎসবে যোগ দেবেন। সব মিলিয়ে উৎসবের আগে থেকেই নদিয়ায় ধর্মীয় আবহ ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছে।





