Gangasagar Mela 2026: পুণ্য অর্জনের সেরা সুযোগ, হাড়কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে গঙ্গাসাগরে জনজোয়ার! দ্বিতীয় দিনেও স্নানের ধুম

Last Updated:
Gangasagar Mela 2026: মকর সংক্রান্তির পরের দিনেও গঙ্গাসাগরে অব্যাহত পুণ্যের ডুব। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা পুণ্যার্থীদের ভিড়।
1/6
মকর সংক্রান্তির পরের দিনেও গঙ্গাসাগরে অব্যাহত রইল পুণ্যের ডুব। ভোররাত থেকেই কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী ভিড় জমান সাগরদ্বীপে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মকর সংক্রান্তির পূণ্যলগ্নে গঙ্গা ও সাগরের সঙ্গমে স্নান করলে জন্মজন্মান্তরের পাপ মোচন হয় এবং মোক্ষলাভের পথ সুগম হয়। (তথ্য ও ছবি - সুমন সাহা)
মকর সংক্রান্তির পরের দিনেও গঙ্গাসাগরে অব্যাহত রইল পুণ্যের ডুব। ভোররাত থেকেই কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী ভিড় জমান সাগরদ্বীপে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মকর সংক্রান্তির পূণ্যলগ্নে গঙ্গা ও সাগরের সঙ্গমে স্নান করলে জন্মজন্মান্তরের পাপ মোচন হয় এবং মোক্ষলাভের পথ সুগম হয়। (তথ্য ও ছবি - সুমন সাহা)
advertisement
2/6
বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেই দ্বিতীয় দিনেও সাগরতটে উপচে পড়ে জনসমুদ্র। ভোরের আলো ফোটার আগেই পুণ্যার্থীরা সাগরতটে পৌঁছে যান। “গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরী সরস্বতী” ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে সমুদ্রতট। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাই শীতল জলে নেমে পুণ্যস্নান সারেন।
বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেই দ্বিতীয় দিনেও সাগরতটে উপচে পড়ে জনসমুদ্র। ভোরের আলো ফোটার আগেই পুণ্যার্থীরা সাগরতটে পৌঁছে যান। “গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরী সরস্বতী” ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে সমুদ্রতট। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাই শীতল জলে নেমে পুণ্যস্নান সারেন।
advertisement
3/6
স্নানের পর বহু পুণ্যার্থী বালিতে পিণ্ডদান ও তর্পণ করেন। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, রাজা দশরথের পিণ্ডদান এই সাগরতটেই হয়েছিল বলে মনে করা হয়, তাই পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে পিণ্ডদান করতে গঙ্গাসাগরে আসেন অসংখ্য মানুষ।
স্নানের পর বহু পুণ্যার্থী বালিতে পিণ্ডদান ও তর্পণ করেন। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, রাজা দশরথের পিণ্ডদান এই সাগরতটেই হয়েছিল বলে মনে করা হয়, তাই পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে পিণ্ডদান করতে গঙ্গাসাগরে আসেন অসংখ্য মানুষ।
advertisement
4/6
দ্বিতীয় দিনেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ছিল আঁটসাঁট। সমুদ্রতটে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, সিভিল ডিফেন্স ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা মোতায়েন ছিলেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারিতে রাখা হয় সিসিটিভি ও ড্রোন। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তার জন্য সমুদ্রতটে লাইফগার্ড ও উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত ছিল। নদীপথে যাত্রী চলাচলের ক্ষেত্রেও কড়া নজরদারি চালানো হয়।
দ্বিতীয় দিনেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ছিল আঁটসাঁট। সমুদ্রতটে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, সিভিল ডিফেন্স ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরা মোতায়েন ছিলেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারিতে রাখা হয় সিসিটিভি ও ড্রোন। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তার জন্য সমুদ্রতটে লাইফগার্ড ও উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত ছিল। নদীপথে যাত্রী চলাচলের ক্ষেত্রেও কড়া নজরদারি চালানো হয়।
advertisement
5/6
গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে সাধু-সন্ন্যাসীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন আখড়া থেকে আগত নাগা সন্ন্যাসী ও সাধুদের দর্শনে ভিড় জমান পুণ্যার্থীরা। মেলাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, কীর্তন ও ভজনেও মুখর হয়ে ওঠে সাগরদ্বীপ।
গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে সাধু-সন্ন্যাসীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন আখড়া থেকে আগত নাগা সন্ন্যাসী ও সাধুদের দর্শনে ভিড় জমান পুণ্যার্থীরা। মেলাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, কীর্তন ও ভজনেও মুখর হয়ে ওঠে সাগরদ্বীপ।
advertisement
6/6
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মেলার বাকি দিনগুলিতেও একইভাবে নিরাপত্তা ও পরিষেবা বজায় রাখা হবে। পুণ্যার্থীরাও শৃঙ্খলা মেনে স্নান ও মেলা পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। মকর সংক্রান্তির পূর্ণ লগ্নে দ্বিতীয় দিনের পুণ্যস্নান গঙ্গাসাগর মেলাকে আরও একবার ধর্মীয় আবেগ ও বিশ্বাসের মহামিলনে পরিণত করেছে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মেলার বাকি দিনগুলিতেও একইভাবে নিরাপত্তা ও পরিষেবা বজায় রাখা হবে। পুণ্যার্থীরাও শৃঙ্খলা মেনে স্নান ও মেলা পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। মকর সংক্রান্তির পূর্ণ লগ্নে দ্বিতীয় দিনের পুণ্যস্নান গঙ্গাসাগর মেলাকে আরও একবার ধর্মীয় আবেগ ও বিশ্বাসের মহামিলনে পরিণত করেছে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
advertisement
advertisement