বর্তমানে এই গ্রাম যেন প্রাচীন সময়ের এক নীরব ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। যেখানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে গ্রামীণ জীবনের সারল্য ও প্রকৃতির সঙ্গে সংহতি এবং আত্মনির্ভরতার চিত্র। গ্রামবাসীদের মধ্যে সজল কুমার মাঝি, রাজেন হাঁসদা এবং জগৎ হাঁসদা জানান, “একসময় আমাদের কাছে ইট, সিমেন্ট বা বালি ব্যবহার করা বিলাসিতার সমান ছিল। তাই সেই সময়ের বাড়িগুলি প্রায়শই পাথর এবং মাটি দিয়ে নির্মিত হত। তবে এই বাড়িগুলো একদিকে যেমন মজবুত, তেমনই অন্যদিকে পরিবেশবান্ধবও।”
advertisement
গ্রামবাসীরা আরও জানান, “এক সময় গ্রামের মানুষজনের জীবিকা অর্জনের তেমন কোনও নির্দিষ্ট বা বৈচিত্র্যময় পথ ছিল না। সেই সময়ে গ্রামের মানুষের প্রধান আর্থিক উপার্জনের মাধ্যম ছিল মাটি কাটা। মাটি কাটতে কাটতেই তারা একসময় পাথরের সন্ধান পায়। এরপর সেই পাথর কাজে লাগিয়ে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ নিজেদের বাসস্থান নির্মাণ করে। এইভাবেই কঠোর পরিশ্রম ও প্রাকৃতিক সম্পদের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রামের মানুষ ধীরে ধীরে তাদের জীবনযাত্রার উন্নতি ঘটায়।”
আরও পড়ুন: ইরানে গেলে ভারতীয় ১০ হাজার টাকার ‘মূল্য’ কত হবে জানেন…? চমকে উঠবেন শুনলেই!
প্রকৃতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সাযুজ্য রেখে তৈরি এই পাথরের বাড়িগুলি গ্রামীণ জীবনের সরলতা, আত্মনির্ভরতা এবং ঐতিহ্যের গভীর বন্ধনকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। এই বাড়িগুলো শুধুমাত্র আশ্রয় নয়, বরং মানুষের প্রাকৃতিক জীবনের সঙ্গে সুসংগত সম্পর্কের সাক্ষী।
শান্তনু দাস





