TRENDING:

Education News: তড়তড় করে বাড়ছে শিক্ষার হার, ছেলেমেয়ের মতো নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে বাবা-মা! ব্যবস্থা দেখে মুগ্ধ আমেরিকা

Last Updated:

Purulia Education News: রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে জেলার দুটি জায়গায় ৫৬৭ জন বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের নিয়ে ৫০ টি সাক্ষরতা কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
Choose
News18 on Google
advertisement
মানবাজার, পুরুলিয়া শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি: কথায় আছে শিক্ষার কোনও বয়স হয় না। ইচ্ছা থাকলেই যে কোনও বয়সেই পড়াশোনা করা সম্ভব। ‌পুরুলিয়ায় শিক্ষার হার বাড়াতে এক অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।‌ আমেরিকার মাউন্ট এরি রোটারি ক্লাব এবং পুরুলিয়া রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে জেলার দুটি জায়গায় ৫৬৭ জন বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের নিয়ে ৫০ টি সাক্ষরতা কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।
advertisement

এই সাক্ষরতা কেন্দ্রগুলি চলছে গোবিন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আরএসআর বিদ্যাপীঠের তত্ত্বাবধানে। বয়স্ক নিরক্ষরদের স্বাক্ষরতা সচেতনতা ও সক্ষমতার পাঠ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠনের মান যাচাই করতে শুধু আমেরিকা থেকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত হয়েছিলেন। ডিজিটাল এডুকেশনের ক্ষেত্রে স্কুলের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন তাঁরা। স্কুলের পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। ‌

advertisement

আরও পড়ুন: জিরো ইনভেসমেন্ট বিজনেস আইডিয়া, ফেলে দেওয়া প্লাটিক বোতল হবে টাকা ছাপানোর মেশিন! শিখে নিন আয়ের বাস্পার স্কিম

এই দিন বয়স্ক পড়ুয়াদের পাশাপাশি স্কুলের ক্ষুদেদেরও উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। এ বিষয়ে রোটারি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট কুনাল রাজগড়িয়া বলেন, তাদের মূল লক্ষ্য হল‌ শিক্ষার হার বৃদ্ধি করা। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায় বাবা-মা শিক্ষিত না হওয়ার কারণে ছেলে-মেয়েরাও উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে না। ‌সেই কারণেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন যাতে বাবা-মাও শিক্ষিত হতে পারে সন্তানদের পাশাপাশি। এতে নিরক্ষরতার হার কমবে।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান! জিয়াগঞ্জ পৌঁছানো এবার আরও সহজ, কারণ কী জানেন?
আরও দেখুন

বর্তমানে তাদের মোট ৫০টি সেন্টার রয়েছে। আগামী দিনে বয়স্ক সাক্ষরতা কেন্দ্র বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে বয়স্ক সাক্ষরতা কেন্দ্র তৈরি হওয়ায় নিরক্ষরতার হার কমতে দেখা যাচ্ছে। ‌দৈনন্দিন কাজ সামলানোর পাশাপাশি অনেকেই বিদ্যালয় এসে পঠন-পাঠন করছেন। এতে উপকৃত হচ্ছে নবপ্রজন্মের ছেলেমেয়েরা। আগামী দিনে এই উদ্যোগ জেলার মানুষদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ‌

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Education News: তড়তড় করে বাড়ছে শিক্ষার হার, ছেলেমেয়ের মতো নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছে বাবা-মা! ব্যবস্থা দেখে মুগ্ধ আমেরিকা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল