এই সাক্ষরতা কেন্দ্রগুলি চলছে গোবিন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আরএসআর বিদ্যাপীঠের তত্ত্বাবধানে। বয়স্ক নিরক্ষরদের স্বাক্ষরতা সচেতনতা ও সক্ষমতার পাঠ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের পঠন-পাঠনের মান যাচাই করতে শুধু আমেরিকা থেকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত হয়েছিলেন। ডিজিটাল এডুকেশনের ক্ষেত্রে স্কুলের উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন তাঁরা। স্কুলের পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।
advertisement
এই দিন বয়স্ক পড়ুয়াদের পাশাপাশি স্কুলের ক্ষুদেদেরও উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। এ বিষয়ে রোটারি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট কুনাল রাজগড়িয়া বলেন, তাদের মূল লক্ষ্য হল শিক্ষার হার বৃদ্ধি করা। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায় বাবা-মা শিক্ষিত না হওয়ার কারণে ছেলে-মেয়েরাও উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে না। সেই কারণেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন যাতে বাবা-মাও শিক্ষিত হতে পারে সন্তানদের পাশাপাশি। এতে নিরক্ষরতার হার কমবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমানে তাদের মোট ৫০টি সেন্টার রয়েছে। আগামী দিনে বয়স্ক সাক্ষরতা কেন্দ্র বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে বয়স্ক সাক্ষরতা কেন্দ্র তৈরি হওয়ায় নিরক্ষরতার হার কমতে দেখা যাচ্ছে। দৈনন্দিন কাজ সামলানোর পাশাপাশি অনেকেই বিদ্যালয় এসে পঠন-পাঠন করছেন। এতে উপকৃত হচ্ছে নবপ্রজন্মের ছেলেমেয়েরা। আগামী দিনে এই উদ্যোগ জেলার মানুষদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।





