দুর্গোৎসবের মত চারদিন ব্যাপি এই পুজোর আয়োজন হয়ে থাকে। পুণ্যার্থীদের ভিড়ে ঠাসা থাকে গোটা গ্রাম। পুণ্যার্থীদের বিশ্বাস, ভক্তি ভরে বাসন্তী দেবীর আরাধ্যনা করলে সমস্ত মনোবাসনা পূরণ হয় ভক্তদের। এই পুজোয় চারটে দিন অর্থাৎ সপ্তমী থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত গ্রামীণ যাত্রাপালা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ভক্তিমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এই চারদিন গ্রামে কোনও আমিষ জাতীয় খাবার প্রবেশ করা হয় না। গোটা গ্রামের মানুষ নিরামিষ ভজন করেন।
advertisement
আরও পড়ুন: সরকারি বিদ্যালয়ে হাইটেক ক্লাসরুম, পড়াশোনা এখন খেলার মতো সহজ! নামিদামি স্কুলের সঙ্গে টক্কর
গ্রাম জুড়ে উৎসবের আমেজ থাকে এই চারদিন ব্যাপী। সময়ের বদল ঘটলেও পুরনো রীতিনীতি ও ঐতিহ্য মেনেই এই পুজো হয়ে আসছে। এ বিষয়ে এই পুজো কমিটির সদস্য নরেশ মিশ্র ও দিলীপ গোপ বলেন, বিরাট ধুমধামের সঙ্গে এই পুজোর আয়োজন হয়ে থাকে। তাদের গ্রামে ষোল আনা কোনও দুর্গাপুজো হয় না। তাই তারা সারা বছর এই বাসন্তী পুজোর অপেক্ষায় থাকেন। যারা সারা বছর বাইরে থাকে তারাও শুধুমাত্র এই পুজোয় বাড়ি ফেরেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
হই-হুল্লোড় আনন্দের মধ্য দিয়ে এই কয়েকটা দিন কাটান তাঁরা। কোনওরকম ভেদাভেদ ছাড়া তারা এই পুজোর আনন্দে মেতে ওঠেন। দেবী দুর্গার আদি রূপের আরাধনা হয় বাসন্তী পুজোয়। প্রতিবছর বসন্তকাল অর্থাৎ চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী থেকে দশমী তিথি পর্যন্ত এই পুজো হয়ে থাকে। জেলা পুরুলিয়া নদীয়াড়া গ্রামের বাসন্তী পুজো বহু প্রাচীন। জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী পুজো এটি। তাই এই পুজোকে ঘিরে মেতে উঠে আট থেকে আশি।





