মরণোত্তর দেহদান, অঙ্গদান ও চক্ষুদানের মতো মহৎ সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, মৃত্যুর পরেও জীবন দেওয়া সম্ভব। তাঁর এই উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত মানবিকতার পরিচয় নয়, এটি সমাজের প্রতি এক শক্তিশালী বার্তা, যা আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখায়, জীবনের অর্থ ও দায়িত্ব সম্পর্কে।
advertisement
দেহদান চিকিৎসা শিক্ষায় অমূল্য সহায়তা করে। অঙ্গদান নতুন জীবন দেয় মরণাপন্ন মানুষকে। আর চক্ষুদান ফিরিয়ে দিতে পারে অন্ধ মানুষের দৃষ্টিশক্তি। একজন মানুষের সচেতন ও সাহসী এই সিদ্ধান্ত একাধিক মানুষের জীবনে আলো জ্বালাতে পারে। সত্যজিৎ চ্যাটার্জীর এই পদক্ষেপ তাই নিঃসন্দেহে অনুকরণীয় ও প্রেরণাদায়ক।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই উদ্যোগ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, জীবন শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যের জন্যও। মানবতার সেবায় নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত মৃত্যুকেও পরাজিত করতে পারে। তাই বলা যায়, মৃত্যু শেষ নয়, সঠিক সংকল্প ও মানবিকতার মাধ্যমে তা হয়ে উঠতে পারে নতুন জীবনের সূচনা, এক নতুন আশার ভোর। মানুষের প্রকৃত অমরত্ব তার কর্মে, তার দানে, তার ভালবাসায়। যা সময়ের সীমা অতিক্রম করে চিরকাল বেঁচে থাকে।





