স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি পঞ্চায়েতকে জানানো হলেও কোনও তৎপরতা দেখা যায়নি। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় বাসিন্দাদের।স্থানীয় বাসিন্দা অঞ্জনা মণ্ডল ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘চারদিন ধরে আমরা জল পাচ্ছি না। যে মোটর বসানো হয়েছে, তা বারবার খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এই গরমে আমাদের কী অবস্থায় থাকতে হচ্ছে, তা বলার নয়। আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।’
advertisement
সমস্যার সমাধান না হওয়ায় সোমবার সকালে বিক্ষোভের পথে হাঁটেন এলাকাবাসীরা। বালতি, কলসি হাতে এবং খারাপ হয়ে যাওয়া সাবমার্সিবলের অংশ নিয়ে হাটকালনা পঞ্চায়েতের সামনে জড়ো হন তাঁরা। এরপর পঞ্চায়েতের গেট আটকে দিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে স্লোগান ও প্রতিবাদ, যার জেরে এলাকায় উত্তেজনার পারদ চড়ে যায়।চাপের মুখে পড়ে অবশেষে নড়েচড়ে বসে পঞ্চায়েত। পরে সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলে বিক্ষোভ তুলে নেন বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে হাটকালনা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্রাবন্তী মণ্ডল জানান, ‘গতকাল একটি আবেদন জমা পড়েছিল, তবে আমি সেটি হাতে পাইনি কারণ আমি প্রচারে ব্যস্ত ছিলাম। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, খুব দ্রুত সাবমার্সিবলটি মেরামত করা হবে।’ তবে প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পরিষেবা নিয়ে এমন উদাসীনতা কেন? আপাতত আশ্বাস মিললেও, বাস্তবে কত দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়, সেদিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।






