অন্য কোথাও এটি হয়তো অদ্ভুত মনে হতে পারে, কিন্তু এই গ্রামের মানুষের কাছে সেটিই দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। বর্ষা এলেই গ্রামের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। কাছের নদীর বাঁধ উপচে জল ঢুকে পড়ে গ্রামে। ফলে বছরের প্রায় তিন থেকে চার মাস এই এলাকা জলের নিচে ডুবে থাকে। কোথাও হাঁটু সমান, কোথাও আবার কোমর সমান জল জমে থাকে। রাস্তাঘাট সবই তখন একাকার হয়ে যায় জলের সঙ্গে।
advertisement
এই সময় বাইক, সাইকেল বা অন্য কোনও যানবাহন চলাচল করা সম্ভব হয় না। তাই গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে ড্রামের ভেলা এবং ছোট নৌকা। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে বাজার করা, চিকিৎসার জন্য বেরোনো বা অন্য কোথাও যাওয়া, সবই করতে হয় এই ভেলার সাহায্যে। স্থানীয়দের উদ্যোগেই তৈরি হয় এই ড্রামের ভেলা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রাম এবং কাঠের ফ্রেম দিয়ে বানানো এই ভেলাগুলিই বর্ষাকালে গ্রামের প্রধান যাতায়াতের মাধ্যম। তাই প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই একটি করে ভেলা তৈরি করে রাখা হয়। বর্ষা শেষ হলে সেই ভেলাগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। কারণ এলাকাবাসী জানেন, আগামী বর্ষায় আবারও জল ঢুকবে গ্রামে, আর তখন এই ড্রামের ভেলাই হবে তাঁদের জীবনযাত্রার প্রধান ভরসা। বছরের পর বছর ধরে প্রকৃতির এই চ্যালেঞ্জের সঙ্গেই মানিয়ে নিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন চাতরা পাপিলা গ্রামের মানুষ।





