এদিন মঞ্চে উঠে প্রথমেই মমতা বলেন, ‘‘বীরভূমের লালমাটিকে অনেক অনেক প্রনাম। এই মাটি আমার নিজের মাটি। এই মাটিতে প্রত্যেকবার পরীক্ষার পর এসে এক মাস করে থাকতাম। আমি আলের উপর দিয়ে হাঁটতে পারি। বীরভূমের মাটি শস্য শ্যামলা মাটি। একদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংস্কৃতি।’’
advertisement
তৃণমূলনেত্রীর কথায়, ‘‘মনে আছে সেদিনের কথা, যখন রেলমন্ত্রী ছিলাম। তখন শুনলাম নানুরে ১১ তফসিলি ভাইকে কুচিয়ে খুন করা হয়েছিল, সেদিন আসার সময় রাজধানীতে এসে দুর্গাপুর নেমেছিলাম, মন্ত্রী যেখানে নামেন সেখানেই স্টপেজ হয়। তারপর থেকেই দুগাপুর স্টপেজ।’’ মমতা জানান, সেই সময় ওই খেতমজুর পরিবারের শেষকৃত্যের টাকা ছিল না। এই কথা ভেবে তিনি সমব্যথী প্রকল্পের কথা ভেবে রেখেছিলেন।
প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ২৭ জুলাইয়ের সুচপুর হত্যাকাণ্ড৷ এই ঘটনায় ১১ জন ভূমিহীন খেতমজুর (যাদের বেশিরভাগই তফশিলি সম্প্রদায়ের ছিলেন) নিহত হয়েছিলেন, যার সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা জড়িত ছিল৷ দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ৪৪ জন সিপিএম কর্মীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিণত হয়৷
এদিনের প্রচার সভার মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, ‘‘অমর্ত্য সেনের জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেদিনও আমি লড়াই করেছিলাম। একজন বিশ্বকবি অন্যজন অমর্ত্য সেন দুজনই নোবেল পেয়েছেন। ’’
এদিনের মঞ্চ থেকে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আবারও সুর চড়ান মমতা৷ বলেন, ‘‘আগে যেটা সিপিএম করত, এখন বিজেপি করে। বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। যেন উকুন বাদ দিচ্ছে।
আমি সুপ্রিম কোর্টে গেছিলাম, তাই ২২ লক্ষ নাম তোলা গেছে। লোকালি ট্রাইব্যুনালে দরখাস্ত করুন। আইনি সহায়তা আমরা দেব। সুপ্রিম কোর্ট ভাল রায় দিয়েছে। বাইরের নাম ঢোকাচ্ছিল। পদ্মফুলের বস্তায়। সুপ্রিম কোর্ট বলে দিয়েছে হবে না। আর কত লোকের প্রাণ নেবে। ২২৫ জনের উপর মানুষ মারা গিয়েছে। BLO ERO রা ভাল কাজ করেছেন।’’
