Hygienic Fuchka: ফুচকাওয়ালার 'স্মার্ট' আইডিয়া, বারবার খেলেও শরীর খারাপের ভয় নেই! এই দোকানে উপচে পড়ে ভিড়, রোজ হাজার হাজার টাকা আয়
- Reported by:Annanya Dey
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
Alipurduar Hygienic Fuchka: মাদারিহাটের এই দোকানে ফুচকা খেতে রীতিমত জমে যায় ভিড়। পরিচ্ছন্নতার কথা মাথায় রেখে ফুচকা এক প্লেটে এবং ফুচকার জল অন্য বাটিতে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও প্রথম পছন্দ এই দোকানের ফুচকা।
মাদারিহাট, অনন্যা দে: মাদারিহাটের এই দোকানে ফুচকা খেতে রীতিমত জমে যায় ভিড়। এলাকাবাসী তো রয়েছেই, পাশাপাশি পর্যটকদেরও প্রথম পছন্দ এই দোকানের ফুচকা। পরিচ্ছন্নতার কথা মাথায় রেখে ফুচকা এক প্লেটে এবং ফুচকার জল অন্য বাটিতে দেওয়া হয়।
আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট এলাকা পর্যটনের জন্য বিখ্যাত। এই এলাকাতে রয়েছে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান। বর্ষার তিন মাস বাদ দিয়ে জলদাপাড়ায় পর্যটকদের আগমন লেগেই থাকে। পাশাপাশি এই এলাকা দিয়ে যাওয়া যায় টোটোপাড়ায়। বিজয় দাসের ফুচকার দোকান রয়েছে মাদারিহাটের প্রধান সড়কের পাশে। ফুচকা আট থেকে আশি সকলের পছন্দের খাবার।
আরও পড়ুন: মাছ চাষে মালদহের জয়জয়কার, উৎপাদনে রেকর্ড গড়ে রাজ্য সরকারের বড় পুরস্কার পেলেন তিন উদ্যোক্তা
গ্রীষ্ম হোক আর শীত, ফুচকার কদর থাকে সব সময়। বিজয় দাস সুজি দিয়ে ফুচকা তৈরি করেন। ফুচকার ভেতর থাকা সবজিতেও থাকে চমক। সেদ্ধ আলুর পাশাপাশি থাকে পেঁয়াজ, গাজর, বিট ও লঙ্কা। আবার অনেক সময় শশা কুচি দেওয়া থাকে আলু মাখাতে। বিজয় দাসের কথায় ফুচকার টক জলের সঙ্গে ভাললাগা জড়িয়ে থাকে পর্যটক থেকে শুরু করে আমজনতার।
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে তিনি পরিচ্ছন্নতাকে গুরুত্ব দেন বেশি করে। তাই ফুচকা জলে ডুবিয়ে তিনি পরিবেশন করেন না। আলাদা বাটির ব্যবস্থা করেন। কেউ যদি আবার ফুচকার টক জল চান, তাহলে তাঁকে আবার তা বাটিতে দেন বিজয় বাবু। বিজয় দাস জানান, “ফুচকা আমার দোকানে বিখ্যাত। আমি পাঁপড়ি চাট, ডালপুরিও তৈরি করি। তবে ফুচকা খেয়ে সকলে ভাল বলেন। আবার আসেন। এটাই আমার ভাল লাগে।”
Location :
Alipurduar,Jalpaiguri,West Bengal
First Published :
Mar 05, 2026 10:43 AM IST
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Hygienic Fuchka: ফুচকাওয়ালার 'স্মার্ট' আইডিয়া, বারবার খেলেও শরীর খারাপের ভয় নেই! এই দোকানে উপচে পড়ে ভিড়, রোজ হাজার হাজার টাকা আয়








