বেশ কয়েকদিন ধরে স্থানীয় মানুষজন লক্ষ্য করেন, এক মহিলা উদ্দেশ্যহীনভাবে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বিষয়টি নজরে আসে বাঁকড়া চৌমাথার ব্যবসায়ী মোহম্মদ হাবিবুল্লার। তিনি ওই মহিলাকে খাবার ও থাকার ব্যবস্থা করে দেন এবং খবর দেন আলহাদি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষকে। সুশান্ত ঘোষ ঘটনাস্থলে এসে তরুণীর সঙ্গে কথা বলে তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা করেন। ধীরে ধীরে জানা যায়, তার নাম সুনিতা মুর্মু এবং বাড়ি ঝাড়খণ্ডের ফুল পান গ্রাম পঞ্চায়েতে।
advertisement
এরপরই পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পঞ্চায়েত প্রধান নিশ্চিত করেন, সুনিতা তাদের এলাকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাসিন্দা এবং পরিবারের সদস্যদের খবর পাঠানো হচ্ছে। খবর পেয়ে সুনিতার দাদা লাগেন মুর্মু, যিনি তামিলনাড়ুতে শ্রমিকের কাজ করছিলেন, দ্রুত হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর একমাত্র বোনকে সামনে পেয়ে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আলহাদি ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় আনুষ্ঠানিকভাবে সুনিতাকে তার দাদার হাতে তুলে দেওয়া হয়। বোনকে ফিরে পেয়ে কৃতজ্ঞতায় ভাসেন লাগেন মুর্মু। তিনি আলহাদি ফাউন্ডেশন, সুশান্ত ঘোষ এবং হিঙ্গলগঞ্জের সাধারণ মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এরপর সুনিতাকে নিয়ে তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। স্থানীয়দের মানবিক উদ্যোগ ও সমাজসেবী সংগঠনের তৎপরতায় অবশেষে পাঁচ মাস পর পরিবারের কোলে ফিরলেন সুনিতা মুর্মু।






