২০২৬ সালে চতুর্থ বর্ষে পা রাখা হাড়োয়া বইমেলা যেন এবার শুধুই একটি মেলা নয়, বরং এক চলমান শিক্ষাকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে। হাড়োয়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সমাজসেবী ফরিদ জমাদারের সম্পাদনায় এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মেলা শুরুর আগেই উদ্যোক্তারা গ্রামে গ্রামে ঘুরে কুপন বিক্রি করেন। সেই কুপন নিয়ে মেলায় এসে পছন্দের বই সংগ্রহ করতে পারবেন ক্রেতারা। মেলা কমিটির সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কুপন ব্যবস্থার মাধ্যমে লক্ষাধিক টাকার কুপন বিক্রি হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ভাগীরথী তীরে ভোলবদল! ৯০ লক্ষ টাকায় সেজে উঠছে ঐতিহাসিক ঘাট, পুণ্যার্থীদের জন্য বড় উপহার
এর ফলে একদিকে যেমন বই বিক্রির হার বাড়বে, তেমনি বই বিক্রেতারাও আগেভাগেই বিক্রি নিয়ে নিশ্চিত হতে পারছেন। মেলায় মোট ৪৫টি স্টল রয়েছে, যার মধ্যে ২৪টি শুধুমাত্র বইয়ের স্টল। মেলার অন্যতম উদ্যোক্তা আব্দুল খালেক মোল্লা জানান, কুপন ব্যবস্থার ফলে প্রায় আড়াই হাজার মানুষ বাড়িতে বসেই বইমেলার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। কুপন কিনে পরিবারের সদস্যরা মেলায় এসে যে কোনও স্টল থেকে নিজেদের পছন্দের বই সংগ্রহ করতে পারছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাঁর কথায়, “এই বইমেলা কার্যত প্রতিটি ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে।” অন্যদিকে, মেলা কমিটির সম্পাদক ফরিদ জমাদার বলেন, “আমাদের একমাত্র লক্ষ্য বই। নব প্রজন্ম মোবাইল কেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। তাদের আবার বইয়ের কাছে ফিরিয়ে আনতেই এই কুপন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। বই পড়ুন, বই উপহার দিন, এই বার্তাই আমরা ছড়িয়ে দিতে চাই।” সব মিলিয়ে সুন্দরবন অঞ্চলে হাড়োয়া বইমেলা এবার বই সংস্কৃতিকে নতুন দিশা দেখাল, এমনটাই মনে করছেন এলাকাবাসী ও বইপ্রেমীরা।





