বাসন্তী হাই রোডের উপর নির্মিত একটি গেট ভেঙে পড়ে। এর ফলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায় এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়। অন্যদিকে স্বরূপনগরের গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পোলতা এলাকায় একটি মাটির বাড়ির উপর বড় গাছ ভেঙে পড়ে। অল্পের জন্য প্রাণহানি এড়ালেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
advertisement
স্থানীয়রা রাতভর আতঙ্কে কাটান। হাসনাবাদেও ঝড়ের তাণ্ডব কম ছিল না। সেখানে একটি মহিলা সংগঠনের ঘরের টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ঘরের ভিতরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথি ও কাগজপত্র বৃষ্টির জলে ভিজে নষ্ট হয়ে যায়, যা সংগঠনের সদস্যদের কাছে বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঝড় চলাকালীন দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা এবং প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। বহু জায়গায় গাছ উপড়ে পড়া, ঘরের চাল উড়ে যাওয়া এবং রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এই আকস্মিক কালবৈশাখীর তাণ্ডব সীমান্ত ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের কপালে নতুন করে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।





