শুকনো গাছের ডাল এবং সামান্য লাল রঙের ব্যবহারেই শিল্পী ফুটিয়ে তুলেছেন বসন্তের আবহ। কৃষ্ণচূড়া ও পলাশ ফুলের স্মৃতিকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরতে সবুজের উপর লালের সংযোজন এক অনন্য দৃশ্যমান রূপক তৈরি করেছে, যা ঋতু পরিবর্তন ও প্রকৃতির পুনর্জাগরণের বার্তা বহন করে।
advertisement
বর্ধমানের শিল্পী রঙ্গজীব রায় বলেন, “আমি মাঝে মধ্যেই নদীর বুকে ল্যান্ড আর্টের কাজ করে থাকি। এবার এই জমে থাকা শ্যাওলা এবং শুকনো গাছের ডাল-সহ আরও কিছু দিয়ে এই শিল্পকর্ম করেছি। পরে থাকা সাধারণ জিনিসকেও যে অসাধারণ করা যায় এটা তারই প্রমাণ।” শিল্পকর্মে ব্যবহৃত ডালগুলির সরল বিন্যাস ভাঙা শাখার প্রতিধ্বনি তৈরি করে, যা নদীর স্বাভাবিক পরিবেশের সঙ্গে এক নীরব সংলাপ স্থাপন করেছে। পুরো কাজটিই প্রকৃতি নির্ভর এবং ক্ষণস্থায়ী। সময়ের সঙ্গে জল ও আবহাওয়ার প্রভাবে এই সৃষ্টি আবার প্রকৃতির মধ্যেই মিশে যাবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শিল্পী রঙ্গজীব রায় এর আগেও দামোদর নদীর বুকে একাধিক পরিবেশভিত্তিক শিল্পকর্ম করেছেন। তবে এবারের এই প্রয়াসকে অনেকেই সৃষ্টিশীলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। এই শিল্পকর্ম বাস্তবায়নে সহশিল্পী হিসেবে রঙ্গজীবের পাশে ছিল উদয়পল্লী হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মহাদেব ঢালী। অল্প বয়সেই তার এই অংশগ্রহণ শিল্পচর্চার প্রতি আগ্রহের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।





