TRENDING:

East Bardhaman News: দামোদর চরে শ্যাওলার ক্যানভাসে বসন্তের রঙ, শুকনো ডালে ফুটল কৃষ্ণচূড়া ও পলাশ! বর্ধমানের শিল্পীর চোখ জুড়ানো ল্যান্ড আর্ট

Last Updated:

East Bardhaman News: দামোদর নদীর চরে শ্যাওলার ক্যানভাসে ধরেছে বসন্তের রঙ। বর্ধমানের শিল্পী রঙ্গজীব রায় শুকনো ডালে ফুটিয়েছেন কৃষ্ণচূড়া ও পলাশ। শিল্পীর এমন আশ্চর্য সুন্দর ল্যান্ড আর্ট দেখে চোখ জড়িয়ে যাচ্ছে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: পূর্ব বর্ধমানের দামোদর নদীর চরে প্রকৃতিকে ক্যানভাস করে এক অভিনব শিল্পকর্মের সৃষ্টি করলেন বর্ধমানের শিল্পী রঙ্গজীব রায়। “নদীর চরে বসন্তের স্মৃতি” শীর্ষক এই সাইট-স্পেসিফিক ল্যান্ড আর্ট ইতিমধ্যেই স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও প্রশংসা কুড়িয়েছে। নদীর তীরে জমে থাকা সবুজ শ্যাওলা ঢাকা প্রাকৃতিক স্তরকে ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে এই শিল্পকর্ম।
advertisement

শুকনো গাছের ডাল এবং সামান্য লাল রঙের ব্যবহারেই শিল্পী ফুটিয়ে তুলেছেন বসন্তের আবহ। কৃষ্ণচূড়া ও পলাশ ফুলের স্মৃতিকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরতে সবুজের উপর লালের সংযোজন এক অনন্য দৃশ্যমান রূপক তৈরি করেছে, যা ঋতু পরিবর্তন ও প্রকৃতির পুনর্জাগরণের বার্তা বহন করে।

আরও পড়ুনঃ এবার দূষণ রুখবে AI সিসিটিভি! যত্রতত্র ময়লা ফেললেই লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাবে বালুরঘাট পুরসভা

advertisement

বর্ধমানের শিল্পী রঙ্গজীব রায় বলেন, “আমি মাঝে মধ্যেই নদীর বুকে ল্যান্ড আর্টের কাজ করে থাকি। এবার এই জমে থাকা শ্যাওলা এবং শুকনো গাছের ডাল-সহ আরও কিছু দিয়ে এই শিল্পকর্ম করেছি। পরে থাকা সাধারণ জিনিসকেও যে অসাধারণ করা যায় এটা তারই প্রমাণ।” শিল্পকর্মে ব্যবহৃত ডালগুলির সরল বিন্যাস ভাঙা শাখার প্রতিধ্বনি তৈরি করে, যা নদীর স্বাভাবিক পরিবেশের সঙ্গে এক নীরব সংলাপ স্থাপন করেছে। পুরো কাজটিই প্রকৃতি নির্ভর এবং ক্ষণস্থায়ী। সময়ের সঙ্গে জল ও আবহাওয়ার প্রভাবে এই সৃষ্টি আবার প্রকৃতির মধ্যেই মিশে যাবে।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
পতাকা, শাড়ি, গেঞ্জি, টুপি...কী নেই! রাজনৈতিক ছোঁয়ায় জমজমাট শিলিগুড়ির বাজার, লক্ষ্মীলাভে খুশি ব্যবসায়ীরা
আরও দেখুন

শিল্পী রঙ্গজীব রায় এর আগেও দামোদর নদীর বুকে একাধিক পরিবেশভিত্তিক শিল্পকর্ম করেছেন। তবে এবারের এই প্রয়াসকে অনেকেই সৃষ্টিশীলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। এই শিল্পকর্ম বাস্তবায়নে সহশিল্পী হিসেবে রঙ্গজীবের পাশে ছিল উদয়পল্লী হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মহাদেব ঢালী। অল্প বয়সেই তার এই অংশগ্রহণ শিল্পচর্চার প্রতি আগ্রহের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: দামোদর চরে শ্যাওলার ক্যানভাসে বসন্তের রঙ, শুকনো ডালে ফুটল কৃষ্ণচূড়া ও পলাশ! বর্ধমানের শিল্পীর চোখ জুড়ানো ল্যান্ড আর্ট
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল