SIR Tribunal Application: SIR তালিকা থেকে বাদ প্রায় ৯০ লক্ষ! নাম তুলতে কীভাবে ট্রাইবুনালে আবেদন করবেন? ধাপে ধাপে পদ্ধতি বললেন জেলাশাসক
- Reported by:Mainak Debnath
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
SIR Tribunal Application: যে সব নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে মুছেছে, তাদের জন্য ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে পুনরায় আবেদন করার সুযোগ। অনলাইন ও অফলাইন আবেদন পদ্ধতির বিস্তারিত গাইড। ওয়েবসাইটে লগ ইন করে আবেদন করার নিয়ম, ডিজিটাল সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য প্রশাসনিক সহায়তা কেন্দ্র, নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্তির সহজ উপায়, প্রয়োজনীয় নথি ও আবেদন প্রক্রিয়া, ভোটার তালিকা সংশোধন ও আপডেট সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তথ্য...
*নদিয়ার কৃষ্ণনগর প্রশাসনিক ভবনে সোমবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন জেলাশাসক শ্রীকান্ত পল্লী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক নৃপেন্দ্র সিং। মূলত ভোটার তালিকা সংক্রান্ত এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের পুনরায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেন জেলাশাসক। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*জেলাশাসক জানান, যেসব নাগরিকদের নাম ডিলিট করা হয়েছে, তাদের জন্য ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে পুনরায় আবেদন করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই আবেদন করার জন্য দুটি পদ্ধতি রাখা হয়েছে, অনলাইন এবং অফলাইন। যারা ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বচ্ছন্দ, তারা নিজেই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে লগ ইন করে আবেদন করতে পারবেন। অন্যদিকে, যারা অনলাইনে দক্ষ নন বা অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন, তাদের জন্য প্রশাসনের তরফে অফলাইন সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নদিয়ার চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, কল্যাণী এবং তেহট্টে আবেদনের জন্য বিশেষ সেন্টার গঠন করা হয়েছে। এই সেন্টারগুলিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ সহজেই আবেদন জমা দিতে পারবেন। মঙ্গলবার কৃষ্ণনগরের রবীন্দ্রভবনে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ছিল লম্বা লাইন। সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে এই উদ্যোগে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে, যারা অনলাইনে আবেদন করতে সক্ষম, তারা যেন সেই পদ্ধতিকেই অগ্রাধিকার দেন। এতে সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচবে এবং প্রক্রিয়াও দ্রুত সম্পন্ন হবে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
advertisement
*এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলাশাসক নিপেন্দ্র সিং জানান, "অনলাইন আবেদনপত্রটাই সবথেকে সুবিধা জনক। যেটি নিজের মোবাইল থেকেও করা যায়। এমনকি সাইবার ক্যাফে থেকেও করা যেতে পারে। অনলাইন আবেদন জমা দিলে পরে অন্য কোথাও আপনাকে যেতে হবে না। আবেদন করার পর একটি অ্যাপিল আইডি অর্থাৎ একটি নম্বর পাবেন। ওই নম্বরটাই আপনার কাছে রিসিভ কপি হিসেবে রেখে দেবেন। যখন ওখানে আপনি অনলাইনে আবেদন করতে যাবেন তখন দেখবেন আগের আপনার ভোটার আইডি কার্ড যেটা দিয়ে আপনি চ্যালেঞ্জ করছেন সেটা চাওয়া হচ্ছে। যখন সেই ভোটার আইডি নম্বরটা দেবেন অটোমেটিক্যালি আপনার নাম ঠিকানা সমস্ত কিছু চলে আসবে। এরপর পরের ধাপ থাকবে আপনি শুনানিতে কোথায় গিয়েছিলেন সেখানে কি হল সে সমস্ত কিছু আবেদন করার জায়গা, তার সঙ্গে ট্রাইবুনালের কাছ থেকে কি রিলিফ চাইছেন সেই সম্পর্কে মোটামুটি জানাতে হবে অনলাইন ফর্মে।" সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*অনলাইন আবেদন করাই সবথেকে ভাল। কিন্তু যাদের ইন্টারনেট ফ্যাসিলিটি নেই কিংবা গ্রামাঞ্চলে থাকেন সেই সমস্ত নাগরিকদের জন্য সুবিধা দেওয়া হচ্ছে জেলাশাসকের বিভিন্ন জায়গাতে। প্রত্যেকটা জেলাশাসকের অফিসের সামনে একটি করে ট্রাইব্যুনালের আবেদনের জায়গা করা হয়েছে যার সময়সীমা মোটামুটি সরকারি অফিস টাইমের মতোই। সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচ'টা বা ছ'টা পর্যন্ত। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*১ এপ্রিল থেকে এই সমস্ত কাউন্টার গুলি সুবিধা চলছে কুড়ি দিন কিংবা ২৫ দিন যতক্ষণ না আমরা সম্পূর্ণটা শেষ করতে পারছি এই ফর্মগুলো নিতেই থাকব। যদিও সময়সীমার মধ্যে কোনও কিছু নেই। কখনও প্যানিক করবেন না যে আপনার সময় চলে যাচ্ছে, অনেকেই প্যানিক করে খবর পাওয়া মাত্রই কৃষ্ণনগর ডিএম অফিস থেকে চলে আসছে দূর দূরান্ত থেকে। তেহট্ট, করিমপুর থেকেও মানুষ ডিএম অফিসে চলে এসেছে। তাদের উদ্দেশ্যে জানানো হচ্ছে ঘাবড়ানোর দরকার নেই আপনার বাড়ির নিকটবর্তী যেই সাব ডিভিশনাল অফিস রয়েছে সেখানেও ফর্ম জমা দেওয়ার জায়গা করা হয়েছে জেলাশাসকের পক্ষ থেকে। নিজের পার্শ্ববর্তী এসডিও অফিসে জমা দিন। সংগৃহীত ছবি।
advertisement







