এই প্রশিক্ষণের ফলে শুধু দক্ষতা অর্জনই নয়, আর্থিক স্বনির্ভরতার দিকেও এগিয়ে যাচ্ছেন গ্রামের মহিলারা। বাড়িতে বসেই অর্ডার নিয়ে পোশাক তৈরি করে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন অনেকেই। ফলে সংসারের খরচ চালানোর পাশাপাশি নিজেরাও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠছেন।
advertisement
পায়েল শ্যামল জানান, ছোট থেকেই তিনি সেলাইয়ের কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই আজ তিনি অন্য মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। তাঁর মতে, ‘মহিলারা যদি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন, তাহলে পরিবারের অবস্থাও বদলাবে।’
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই উদ্যোগে উপকৃত মহিলারা জানিয়েছেন, আগে তাঁরা শুধুমাত্র গৃহস্থালির কাজেই সীমাবদ্ধ ছিলেন। এখন নিজেরাই কাজ শিখে রোজগার করছেন, ফলে আত্মবিশ্বাসও অনেক বেড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় এমন উদ্যোগ শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নই নয়, সামাজিক পরিবর্তনেরও বার্তা দিচ্ছে। পায়েল শ্যামলের এই প্রচেষ্টা আজ অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।





