শ্রী কৃত্তিবাস রাম মন্দির ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচি কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, বরং দুই তীর্থক্ষেত্রের ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের মিলনক্ষেত্র হিসেবেই গুরুত্ব পাচ্ছে। এই অভিযানের প্রধান উদ্যোক্তা শান্তিপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য জানান, অযোধ্যা থেকে পবিত্র মাটি সংগ্রহ করে তা শান্তিপুরের শ্রী কৃত্তিবাস রাম মন্দির তীর্থক্ষেত্রে আনা হবে। পরে সেই মৃত্তিকার সঙ্গে কৃত্তিবাসের জন্মভূমির পবিত্র মাটির আধ্যাত্মিক সংযুক্তি ঘটানো হবে।
advertisement
তাঁর কথায়, “কৃত্তিবাস ওঝা ও শ্রী রামচন্দ্রের নাম অবিচ্ছেদ্য। এই মৃত্তিকা বিনিময় দুই পবিত্র ভূমির আত্মিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।” উল্লেখ্য, শান্তিপুর প্রাচীনকাল থেকেই বৈষ্ণবীয় সংস্কৃতি ও পাণ্ডিত্যের জন্য খ্যাত। অন্যদিকে, অযোধ্যা শ্রী রামচন্দ্রের লীলাভূমি হিসেবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে গভীরভাবে পবিত্র। কৃত্তিবাস রচিত ‘শ্রীরাম পাঁচালী’ বাংলার ঘরে ঘরে রামকথাকে জনপ্রিয় করে তুলেছিল।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এই যাত্রাকে দেখা হচ্ছে এক ঐতিহাসিক পুনর্মিলন হিসেবে। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে যাত্রার সূচনা হয়। শান্তিপুর সেবা সংঘ পতাকা প্রদর্শন করে এই কর্মসূচির আরম্ভ করা হয়। ভক্তকূল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল চোখে পড়ার মতো উৎসাহ। আয়োজকদের মতে, এই পবিত্র মৃত্তিকা মিলন শান্তিপুরকে নতুন আধ্যাত্মিক মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করবে এবং বাংলার ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক ইতিহাসে সংযোজন করবে এক নতুন অধ্যায়।





