কালনা নৃসিংহপুর ফেরিঘাট নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীরা পারাপার করে থাকেন এই ফেরিঘাট। তবে লঞ্চে যাত্রীদের পাশাপাশি ওঠে সাইকেল এবং মোটরসাইকেল। স্বাভাবিকভাবেই মোটরসাইকেল ভারী হওয়ায় লঞ্চে তোলার সময় অনেক সময়তেই আরোহীর একা সেটি তোলা সম্ভব হয় না। তখন বাধ্য হয়েই সাহায্য নিতে হয় মাঝিদের এবং সেই সাহায্যের জন্য বকশিস হিসেবে গাড়ি এবং যাত্রীর ভাড়ার পাশাপাশি বাড়তি পাঁচ টাকা করে নেওয়া হত বলে জানা গিয়েছে।
advertisement
অনেকে খুশি হয়ে এই টাকা দিয়ে থাকেন, আবার অনেকেই কিছুটা অখুশী হয়ে বাধ্য হয়েই দিয়ে থাকতেন। তবে সম্প্রতি কালনা নৃসিংহপুর ফেরি ঘাট কর্তৃপক্ষের থেকে একটি পোস্টার টানানো হয়েছে যেখানে লেখা রয়েছে, কালনা ফেরিঘাটের ইজারাদারের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, লঞ্চে পারাপার করা মোটরসাইকেল যাত্রীরা বকশিস কেবলমাত্র তাদের ইচ্ছেতেই মাঝিরা নিতে পারবেন। মাঝিরা জোর করে বকশিস নিতে পারবে না। এরপরেও যদি অভিযোগ আসে তাহলে যাত্রীরা হেল্পলাইন নম্বরে অভিযোগ জানাতে পারবেন ঘাট কর্তৃপক্ষদের। নম্বর হল ৯৮০০২৪২৮২৮/৬২৯৪২১২৫৩৯।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে খুশি নিত্যযাত্রীরা। তারা অনেকেই জানাচ্ছেন প্রতিদিন এমনিতেই মোটরসাইকেল ও যাত্রী ভাড়া-সহ মাসিক বেশ খানিকটা টাকা চলে যায় তাদের। বিশেষ করে যারা দিন আনে দিন খায় তাদের পক্ষে অনেকেরই এই টাকা দিতে কিছুটা আর্থিক অসুবিধাই হয়। ঘাট কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে অনেকটাই অর্থ সাশ্রয় হল তাদের। আবার অনেকেই জানাচ্ছেন ঘাট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের পরেও মোটরসাইকেল লঞ্চে উঠানো নামানোর সময় মাঝিরা সাহায্য করলে খুশি হয়েই বকশিস দিয়ে দেন। তবে সেটা বাধ্যতামূলক না করে যাত্রীর নিজের ইচ্ছেয় বকশিস যাওয়ার সিদ্ধান্তে খুশি সকলেই।






