আর এর ফলেই কালোবাজারি চলছে রমরমা! দোকানদাররা পড়েছেন মহা বিপদে! আইনত না হলেও বহু নিম্ন মধ্যবিত্তের মানুষ যারা ১৪ কেজির গ্যাস কিনতে পারতেন না তারা খোলা মার্কেট থেকে দুই এক কেজি গ্যাস কিনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতেন, তবে সেক্ষেত্রে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি প্রতি মিলত। ডোমেস্টিক গ্যাস ১৪ কেজিতে বেড়েছে ৬০ টাকা অর্থাৎ কেজি প্রতি পাঁচ টাকার কাছাকাছি, সেক্ষেত্রে ৯০- ৯৫ টাকার জায়গায় ১০০ টাকা হলেও ঠিক থাকত, কিন্তু কোথাও ১৩০ কোথাও বা ১৫০ ছাড়িয়েছে তাও অর্থের বিনিময়ে মিলছে না ঠিকমতো। বাধ্য হয়ে বহু মিষ্টির দোকানদার আগের মতোই কাঠের জ্বালানি ব্যবহার শুরু করেছে।
advertisement
ছোটখাটো হোটেল উঠে যাওয়ার জোগাড়! তারা জানাচ্ছেন আগে তারা ৩০-৩৫ টি আইটেম রান্না করতেন যার মধ্যে মাছেরই থাকত ছয় থেকে সাত রকমের, কিন্তু বর্তমানে কোনও রকমে ডালভাত, সবজি সঙ্গে মাছ, ডিম অর্থাৎ সবমিলিয়ে চার থেকে পাঁচ পদ। সন্ধ্যায় রাস্তার পাশে অলিতেগলিতে রুটি বিক্রেতারা আরও ভয়ানক পরিস্থিতিতে, কারণ সে ক্ষেত্রে জ্বালানি লাগে আরও বেশি রাস্তার উপর কাঠের জ্বালানি ব্যবহার করা সম্ভব নয়, তাই বাধ্য হয়েই নিজের বাড়ির রান্না কাঠে সেরে পরিবারের সেই উদ্বৃত্ত গ্যাস দোকানের নিয়ে এসে কোনওরকমে ব্যবসা সামলাচ্ছিলেন। কিন্তু মুশকিল আগে আবেদনের সময় সীমা না থাকলেও এখন হিসাব মতন মাসে একটি করে গ্যাস মিলছে, আর এর ফলেই যেমন নিজেদের সংসারের টান পড়েছে ঠিক তেমনই দোকানেও ভাটা লক্ষ্মী লাভে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে উপার্জনের শেষ চেষ্টা হিসেবে মিষ্টির দোকানেও ব্যবহৃত হচ্ছে কাঠের জাল ফাস্টফুডের দোকানদাররা বেশিরভাগ রান্না বাড়ি থেকে করে নিয়ে এসে কোনওক্রমে তা গরম করে বিক্রি করছেন পথের পাশে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে মাঝারি ও ছোট ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় বড় হোটেল রেস্তোরাঁও খুব বেশিদিন টানতে পারবে না স্বাভাবিকভাবে তা বলাই বাহুল্য।





