মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানার রমনা এলাকায় বিশেষভাবে সক্ষম স্বামী সানারুল ও দুই ছেলেকে নিয়ে সংসার ফাতেমার। বিশেষভাবে সক্ষম হওয়ার কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল সানারুল মন্ডলকে। ব্যবসায়িক সূত্রে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণার শিকার হতে হয়েছিল স্বামী-স্ত্রীকে। প্রচুর টাকা ইতিমধ্যেই ঋণ করে ফেলেছেন তাঁরা। পাশাপাশি, ছেলেদের পড়াশোনা থেকে সংসারের খরচ ও ঋনের টাকা শোধ করার জন্য কলকাতায় নির্মাণ শ্রমিকের সাহায্যকারী হিসাবে কাজ করতে গিয়েছেন সানারুল।
advertisement
তাতেও তাদের সংসারে টানাপাড়া লেগে থাকতো। যার ফলে সংসারে দেখা দেয় অর্থাভাব। তাই নিজের সংসারের হাল ফেরাতে নিজেই এগিয়ে এলেন গৃহবধূ। স্বামীর টোটো চালাতে শুরু করলেন ফাতেমা বিবি। সংসারের কাজ সামলে প্রতিদিন টোটো নিয়ে বেরিয়ে পড়েন ফতেমা বিবি। টোটো চালিয়ে সারাদিনে উপার্জন হয় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। তা দিয়েই কোনরকমে তাদের সংসার চলে যাচ্ছে বলে দাবি ফাতেমার।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
হরিহরপাড়াতে এক নামে এখন সবাই চেনে ফাতেমাকে। ঝড় জল উপেক্ষা করে টোটোতে চাপিয়ে এদিক ওদিক পৌঁছে দিচ্ছেন যাত্রীদের। নিজের সংসার চালিয়ে ছেলেদের পড়াশোনার খরচ জোগাতে টোটো চালিয়ে অর্থ উপার্জন করছেন তিনি। সমাজের সমালোচনা, চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে ফাতেমা বিবি এখন এলাকার একমাত্র মহিলা টোটো চালক।





