মূলত আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া বলে তারা তার মতো পড়াশোনা করতে পারছে না। এই ভাবনা ঝড় তোলে শিশুমনে। তাদের পড়ানোর কথা ভাবে সে। আর যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা থানার ভাবতা এলাকার শঙ্করপুর গ্রামের বাসিন্দা বাবর আলি মাত্র ন’বছর বয়সে নিজের বাড়ির উঠোনে পেয়ারা গাছের নীচে ‘আনন্দ শিক্ষা নিকেতন’ স্কুল প্রতিষ্ঠা করে এলাকার গরিব ঘরের ন’জন খুদে পড়ুয়া নিয়ে যাত্রা শুরু করে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ প্রচারের আগে জটেশ্বর মন্দিরে পুজোয় মগ্ন বিজেপি প্রার্থী ! কেন যান এই মন্দিরে? জানালেন নিজেই
সালকা ২০০২। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় নিজের বাড়িতে স্কুল খুলে ফেলেন। এরপর বিবিসি মাত্র ১৬ বছর বয়সে তাঁকে ‘বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধান শিক্ষক’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। নানা রাজ্যের পাঠ্যপুস্তকে ঠাঁই পেয়েছে বাবর আলির জীবনী। বাবর আলি আসলে বহু বঞ্চিত শিশুর জীবন বদলে দিয়েছেন। সমাজসেবামূলক অবদানের জন্য অনেক মর্যাদাপূর্ণ সম্মান অর্জন করেছেন। জানা গিয়েছে, বাবর আলির কাজ ও তাঁর জীবনী রাজ্যের বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক এবং এনসিইআরটি পাঠ্যক্রমেও স্থান পেয়েছে।
আরও পড়ুনঃ অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মীদের জন্য সুখবর! পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনে নিয়োগ, আজই আবেদন করুন
জলঙ্গিতে টিকিট পেয়ে বাবর জানান, “এতদিন একরকম জায়গায় কাজ করেছি। এবার পরিধিটা অনেকটা বেড়ে গেল, বলতে পারেন দায়িত্বও। মানুষ পাশে থাকলে অবশ্যই ভাল কিছু করার চেষ্টা করব।” বাবর আলি জানান, ইতিমধ্যেই জলঙ্গী থেকে ভাল সাড়া পাচ্ছেন। সেই মানুষটি এবার জলঙ্গিকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যান, সেটা দেখার। বাবর আলি এও জানিয়েছেন, আমি স্বল্প সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক ময়দানে পা দিয়েছি। আমাকে জলঙ্গীতে প্রার্থী করা হয়েছে। আগামী দিনে শিক্ষা ক্ষেত্রে কাজ করা-সহ মানুষের পাশে থাকব।





