এলাকাবাসীর অভিযোগ, দিনের আলো এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে তড়িঘড়ি করে দায়সারাভাবে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢালাইয়ে ব্যবহৃত সিমেন্ট ও বালির গুণমান অত্যন্ত নিম্নমানের হওয়ায় রাস্তা টেকসই হয়নি। রাস্তাটি সম্পূর্ণ শুকানোর আগেই যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।
advertisement
ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা রাস্তার উপর জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের সাফ দাবি, সিডিউল মেনে ও নিয়ম অনুযায়ী পুনরায় রাস্তা সংস্কার করতে হবে। দাবি না মানলে বৃহত্তর আন্দোলন ও পথ অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কয়াডাঙার বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, “রাস্তার কাজ খুবই খারাপ হয়েছে। আমরা এখানে মাছ বিক্রি করি, ঠিকমতো বসাও যায় না। বর্ষার আগেই এই অবস্থা, বর্ষা এলে রাস্তার আর কিছুই থাকবে না। নতুন করে ভাল রাস্তা করতে হবে।” অন্য এক বাসিন্দা সুকুমার সেনের অভিযোগ, “রাতের অন্ধকারে কাজ করে কাটমানি খাওয়া হচ্ছে। আমুয়া থেকে তালতলা পর্যন্ত পিচের রাস্তা হওয়ার কথা ছিল, সেখানে ঢালাই করা হয়েছে—এটা ভুল সিদ্ধান্ত।” স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আলিও নিম্নমানের সিমেন্ট ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন।
এই রাস্তার উপরেই একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সবজি বাজার ও মন্দির রয়েছে। প্রতিদিন এই পথে কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত হয়। ফলে রাস্তার এমন বেহাল দশায় চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জগতাই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ইবনে ইদুল সাইদ এই প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় জানান, “এই বিষয়ে যা বলার পরে বলব।” প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তাঁরা।





