বড়দের নির্বাচনের মতোই ব্যালট পেপার, গোপন কক্ষ আর আঙুলে কালির দাগ সবই ছিল। কিন্তু ভোটার আর প্রার্থী? সবাই খুদে শিক্ষার্থীরা! ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেল ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যে। কিন্তু তার আগেই শিশু সংসদ নির্বাচনে নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা সমস্ত নিয়ম মেনে ভোট দিল তাদের পছন্দের প্রার্থীদের। এই ঘটনায় সাড়া পড়ে গিয়েছে এলাকায়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই স্কুলের শিশু সংসদের নির্বাচন ঘিরে ব্লকজুড়ে সাড়া পড়ে গিয়েছে।
advertisement
আয়োজনের কোথাও খামতি ছিল না। সকাল থেকে ভোট দেওয়ার জন্য ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের দরজার সামনে লাইন দিয়ে দাঁড়ায়। প্রত্যেকের কাছে ছিল বিদ্যালয় থেকে দেওয়া নিজস্ব পরিচয়পত্র। লাইন সামলাতে ও এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে নকল কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। দিনভর উৎসবের মেজাজে হল প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষা সংসদ নির্বাচন। ১৮ বছরে গণ্ডি পেরোনোর আগেই ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার কাল্পনিক ভাবে প্রয়োগ করে দেখাল তকিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ওই স্কুলের শিশু শিক্ষা সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পরিবেশ মন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রী পদে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন হয়। সমস্ত পড়ুয়ার মধ্য থেকে মন্ত্রী নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলে। তার জন্য ব্যালট পেপার ছাপানো হয়। সেখানে প্রার্থীদের নাম এবং তাদের ছবি ছাপানো রয়েছে। পড়ুয়ারা পছন্দমাফিক প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করে।
প্রসঙ্গত, গোটা রাজ্যে প্রাথমিক স্কুলগুলিতে শিক্ষা সংসদ নির্বাচনে এই পাঁচ দফতরে ছাত্র প্রতিনিধি মনোনীত করার পদ্ধতি দীর্ঘদিনের। সেই প্রচলিত রীতিকে একেবারে নতুন আঙ্গিকে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদান প্রক্রিয়ায় রূপান্তরিত করল ১১ নং তকিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ।





