বর্তমান সময় রোজকার জীবনে প্লাস্টিকের বহু পণ্য ব্যবহার হয়। তবে কাজ মিটে গেলেই এগুলির মূলত ডাস্টবিনে ঠাই হয়। কিন্তু যদি বলা হয়, জঞ্জাল ফেলার জায়গায় স্তুপাকারে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকা এই প্লাস্টিকই যেন জমাট বাঁধা পেট্রোল ডিজেল? জানতে ইচ্ছা করছে তো, এমনটা কেন বলা হল?
advertisement
আসলে আমরা প্লাস্টিকের যা কিছু ব্যবহার করি, তার প্রায় সবটাই অপরিশোধিত খনিজ তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। তা থেকে আবার জ্বালানি তেলও তৈরি করা যায়। এই প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল ও গ্যাস উৎপাদনে পড়ুয়ারা উদ্ভাবন করেছেন পরিবেশ সহায়ক প্রযুক্তি।
জানা যায়, জ্বালানি সংকট নিরসনে প্লাস্টিক-পলিথিন থেকে তেল গ্যাস উৎপাদনের পদ্ধতি অবলম্বন করেছে ছাত্রছাত্রীরা। মুলত, ক্যাটালিস্ট অনুঘটকের মাধ্যমে পাইরোলাইসিস পদ্ধতিতে প্লাস্টিক ও পলিথিন থেকে জ্বালানি তেল ও গ্যাস উৎপন্ন হয়। প্রথমে মাটি থেকে সিলিকা অ্যালুমিনা ভেঙে ক্যাটালিস্ট তৈরি করা হয়েছে। সেই ক্যাটালিস্ট দিয়ে প্লাস্টিককে ভেঙে ডিজেল, পেট্রোল, কেরোসিন জাতীয় জ্বালানি তেল তৈরি করা হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এইসব জ্বালানি তেল দিয়ে ছোট, মাঝারি সহ নৌকার ইঞ্জিনও চালান সম্ভব। এছাড়াও এইসব জ্বালানি দিয়ে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনও সম্ভব। এমনকি কার্বন থেকে তৈরি হতে পারে গাড়ির টায়ারও। সব মিলিয়ে, কলেজ পড়ুয়া ‘ছাত্র বিজ্ঞানী’দের হাতে তৈরি এই পদ্ধতিই বর্তমানে দেখাচ্ছে এক নতুন দিশা।





