ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে তাঁদের মাথা গোঁজার একমাত্র ছিটেবেড়ার ঘরটি। চিকিৎসার জন্য রাখা অর্থ পুড়ে ছাই। কীভাবে আগামী দিনে চিকিৎসা করানো যাবে, তা নিয়ে চিন্তিত পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার মধ্যে রাতে হঠাৎই আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
advertisement
প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালালেও এলাকায় জলের অভাব এবং বিদ্যুৎ না থাকায় পাম্প চালানো সম্ভব হয়নি। ফলে চোখের সামনেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় গোটা ঘর। আশরাফুল সেখের স্ত্রী লাল বানু খাতুন কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি জানান, ঘরে থাকা আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী সবকিছুই আগুনে পুড়ে গিয়েছে। এমনকি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে নগদ প্রায় ৪০ হাজার টাকা। যা তাঁদের ১৪ বছর বয়সী ছেলের অপারেশনের জন্য চড়া সুদে ধার করা হয়েছিল।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমানে পরনের কাপড় ছাড়া তাঁদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। পরিবারটির দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এলাকায় দমকল কেন্দ্র না থাকার কারণেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা অনেকটাই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই চরম দুর্দশার মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্যের জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন আশরাফুল সেখ ও তাঁর পরিবার। স্থানীয়দের পক্ষ থেকেও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে।






