এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, প্রতিদিনই এই রাস্তায় শয়ে শয়ে ডাম্পার ও লরি বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। অতিভারী যানবাহনের দৌরাত্ম্যে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে, অথচ প্রশাসনের তরফে কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
advertisement
এদিন দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ধূপগুড়ি থেকে জলপাইগুড়ি সংযোগকারী এশিয়ান হাইওয়ে ৪৮ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে, যার ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তবে ক্ষুব্ধ জনতা ধূপগুড়ি থানার আইসিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়।
অভিযোগ উঠেছে, দুর্ঘটনার আগে দ্রুতগতির ওই লরিটিকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন এলাকাবাসী, কিন্তু গাড়িটি পালিয়ে যায়। পরে জলঢাকা ব্রিজের কাছে ট্র্য়াফিক পুলিশকে জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের। এর জেরেই ক্ষোভ আরও বাড়ে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের দিনেই সভাস্থল থেকে মাত্র প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে বেপরোয়া ডাম্পার ও ওভারলোডিং গাড়ির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে, না হলে আন্দোলন আরও জোরদার হবে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও পুলিশ আধিকারিকরা এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
