এই ঘটনাগুলিতে মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা ভোট ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়িরই প্রমাণ বলে মনে করছে প্রশাসন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন গভীর রাতে কালিয়াচক থানার পুলিশ গোপন সূত্রে ব্রাউন সুগার পাচারের খবর পায়। সেই অনুযায়ী দ্রুত দু’টি পৃথক অভিযান চালানো হয়।
advertisement
প্রথম অভিযানে শাহবাজপুর এলাকা থেকে ৫০২ গ্রাম ব্রাউন সুগার সহ আব্দুল রহমান (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের বাড়ি কালিয়াচকের মোজমপুর এলাকায়। এরপর দ্বিতীয় অভিযানে প্রায় এক কেজি ব্রাউন সুগার সহ সমীর নাদাপ ও মহম্মদ ইব্রাহিম নামে আরও দুই পাচারকারীকে আটক করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ মাদক কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কোথায় পাচারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারির অংশ হিসেবে বিহার সীমান্তে নাকা চেকিং চালাচ্ছিল চাঁচল থানার পুলিশ। সেই সময় নলকুঠিয়া এলাকায় ৫ জনকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। তাঁদের আটক করে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় একটি ৭ এমএম পিস্তল, দু’টি ওয়ান শাটার ও চার রাউন্ড কার্তুজ। এরপরেই গ্রেফতার করা হয় অমিত কুমার সাহা, গণেশ মহালদার, সুখদেব সাহা, মোঃ রিয়াজুল ও মোহাম্মদ আমানকে। ধৃতদের সকলের বাড়ি বিহারের কাটিহার জেলায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মালদহ জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং জানিয়েছেন, “বিহার থেকে অস্ত্রগুলি এই রাজ্যে বিক্রির উদ্দেশে আনা হচ্ছিল। ধৃতদের মালদহ জেলা আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুরো পাচারচক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে।”






