পাশাপাশি, একই দিনে ময়ূরেশ্বর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী দুধকুমার মণ্ডল যন্ত্রে সর্ষে ঝরাতে গ্রামের মানুষের কাজে সাহায্য করলেন। মূলত চাষিদের অভাব অভিযোগ এবং তাঁরা কী সমস্যার মধ্যে রয়েছে, সেটা বুঝতে তাঁরা এই কাজ করেছেন বলে দুই প্রার্থী। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূলের নেতৃত্ব বৃন্দ। নানুর বিধানসভার সিঙ্গি গ্রাম পঞ্চায়েতের ইক্ষুধারায় নিজের ভোট প্রচার করছিলেন খোকন দাস। সেই সময় হঠাৎ মাঠে চাষিদের সঙ্গে আলু তুলতে নেমে পড়েন। আলু তোলার সময়ে বিগত বেশ কয়েকবছর ধরে চাষীদের নানান অভাব অভিযোগ এর কথা শোনেন তিনি।
advertisement
তবে শুধু আলু তোলার কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরে বড়োডিহা গ্রামে ভোট প্রচারে গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে গবাদিপশুর জন্য খড় কাটার কাজেও হাত লাগান খোকন। বিজেপি প্রার্থী খোকন দাস জানান, “এই বছর সেই ভাবে আলুর দাম না থাকায় চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে। তাঁদের চাষের খরচ উঠছে না। রাজ্য সরকার চাষিদের কথা ভাবছে না। আগামিদিনে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে চাষীরা ন্যায্য মূল্যে ফসলের দাম পাবেন। চাষিদের ও সাধারণ মানুষদের সহযোগিতার করার জন্য এবং তাদের মনোবল বাড়াতে এই সব কাজে হাত লাগালাম।”
এর পাশাপাশি বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের মল্লারপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মথুরাপুর গ্রামের আদিবাসী পাড়ায় গৃহসম্পর্ক অভিযানে যায় দুধকুমার। সেখানে এক ভোটারের বাড়িতে ঢুকে যন্ত্রে ঝাড়াইয়ের কাজ শুরু করেন দুধকুমার। তিনি বলেন, ‘ওই চাষি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন আপনি রাজনীতির পাশাপাশি কী কাজ করেন? তখন আমি তাঁকে বলি আমিও আপনার মতো চাষার ছেলে। চাষ আমার জীবিকা।” এর পরেই তিনি এই চাষির সঙ্গে সর্ষে ঝাড়াই করতে থাকেন। যদিও এই বিষয়ে বীরভূমের হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখ বলেন, “এই ভোটের সময় বিজেপি প্রার্থীরা দরকার পড়লে আপনার হাত টিপে দেবে, পা টিপে দেবে। এমনকি আপনি বললে তেল মালিশ পর্যন্ত করে দেবে। কারণ তাদের ৩৬৫ দিনের মধ্যে শুধুমাত্র ভোটের কয়দিন রাস্তায় দেখা যায়।”





