অভিষেকের এই যাত্রাপথ মসৃণ ছিল না। শূন্য থেকে শুরু করে আজ তিনি এই অবস্থানে পৌঁছেছেন। প্রথম জীবনে নিজের একটি ক্যামেরা কেনার সম্বলটুকুও ছিল না তাঁর। শেষমেশ নিকট আত্মীয়দের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার করে নিজের প্রথম ক্যামেরাটি কেনেন তিনি। সেই শুরু। এরপর কখনও ব্যাঙ্ক লোন, আবার কখনও তিল তিল করে জমানো টাকা দিয়ে ব্যবসার পরিধি বাড়িয়েছেন তিনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফটোগ্রাফি ছেড়ে তিনি বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ‘জায়েন্ট স্ক্রিন’ বা এলইডি ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যবসায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
advertisement
আরও পড়ুন: ভোট প্রচার থামিয়ে সোজা সিউড়ি আদালত! কেন আচমকা ছুটে এলেন অগ্নিমিত্রা পাল? জানুন
বর্তমানে মেদিনীপুর জেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী রাজ্য ওড়িশাতেও ছড়িয়ে পড়েছে অভিষেকের এই ব্যবসা। বর্তমানে প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি অনুষ্ঠানে একসঙ্গে জায়েন্ট স্ক্রিন সরবরাহ করার ক্ষমতা রাখেন তিনি। তাঁর অধীনে কাজ করে আজ অনেক যুবক নিজেদের সংসার সামলাচ্ছেন। এককালের দিনমজুর অভিষেক আজ কয়েক লক্ষ টাকার সরঞ্জামের মালিক এবং সফল ব্যবসায়ী।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অভিষেকের এই সাফল্য বর্তমান প্রজন্মের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা। তাঁর মতে, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সফল হতে গেলে কোনও জাদুর কাঠির প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন কেবল অটল মনোযোগ আর সময়। কঠোর পরিশ্রম করে আজ এই জায়গায় পৌঁছে অভিষেক প্রমাণ করেছেন যে, গ্রামীণ এলাকা থেকেও ইচ্ছেশক্তি থাকলে আকাশ ছোঁয়া যায়।





