বিড়ি ব্যবসায়ী হিসাবেই রাজনীতিকদের সঙ্গে তাঁর ওঠাবসা শুরু। সেই সূত্রেই রাজনীতিতে ‘হাতেখড়ি’। রাজ্য রাজনীতিতে নিজের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসেই বাজিমাত করলেন বাইরন বিশ্বাস। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ২০২৩ সালে মার্চ মাসে ‘অপরাজেয়’ হয়ে ওঠা শাসক তৃণমূলকে সাগরদিঘীতে হারিয়ে দিয়েছিলেন বাম সমর্থিত এই কংগ্রেস প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস, আর তার কয়েক মাস পরেই শাসকদল তৃণমূলে যোগদান।
advertisement
আরও পড়ুন: গভীর রাতে কলকাতায় ভয়ঙ্কর কাণ্ড! পাটুলিতে পর পর শ্যুটআউট, মৃ*ত্যু যুবকের, আহত আরও এক
বাইরন মাত্র ১৬ বছর বয়সেই ব্যবসার কাজে যোগ দেন। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের বাসিন্দা বাইরনকে তার পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। যোগ দেওয়ার মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই বাবার প্রতিষ্ঠা করা ‘জিৎ বিড়ি’ সংস্থার মালিক হন। তার পর থেকে রকেট গতিতে বাড়তে থাকতে ব্যবসার পরিধি। হাত দেন স্কুল, হাসপাতাল, রাসায়নিকের কারখানা-সহ আরও নানাবিধ ব্যবসাতেও। সাফল্যও আসে তাতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাতে ধরে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান বাইরন। ব্যবসার কাজে বিভিন্ন জেলায় তাঁর যাতায়াত বাড়তে থাকে। সমাজসেবী হিসাবে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীদের সঙ্গে তৈরি হয় যোগাযোগও। সেই সূত্রেই রাজনীতির বৃত্তে বাইরনের প্রবেশ।
ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাদে এলাকার অনেক নেতাদের সঙ্গে পরিচিতি থাকলেও ২০২৩ সালে রাজনীতিতে হাতেখড়ি তাঁর। ব্যাবসায়িক কারণেই এলাকার বাম, তৃণমূল, বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে তাঁদের পরিবারের। নানা ক্ষেত্রে অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময়েই রাজনৈতিক যোগের প্রয়োজন পড়ে। সে কারণেই এলাকার বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গেই তাঁদের পরিবারের বেশ ভালই সম্পর্ক বলে জানা যাচ্ছে। তবে এবছর মানুষের কাছে ভাল সারা ফেলছেন শিল্পপতি বাইরণ বিশ্বাস ।





