বর্তমানে বিহার ও পুরুলিয়া থেকে আনা শালপাতা মাছ সংরক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সন্দেশখালি, মিনাখাঁ সহ একাধিক এলাকায় এই শালপাতার চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে।
advertisement
উল্লেখ্য, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার এই বিস্তীর্ণ অঞ্চল মাছ উৎপাদনের জন্য রাজ্যজুড়ে বিশেষভাবে পরিচিত। মাছের তাজা ভাব বজায় রাখতে ও প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষণের জন্য শালপাতা অত্যন্ত কার্যকর বলে মনে করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। ফলে এই পাতার ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বহু স্থানীয় মানুষ। নিজেদের দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি বাড়তি সময়ে শালপাতা দিয়ে মাছ মোড়ানো ও সংরক্ষণের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এতে অল্প সময়ের মধ্যেই ভাল আয় হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কাজ করে একজন শ্রমিক দিনে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করতে পারছেন। ফলে একদিকে যেমন পরিবেশবান্ধব উপায়ে মাছ সংরক্ষণ সম্ভব হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনই বাড়তি আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন বহু মানুষ। পরিবেশ সচেতনতার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন দিশা দেখাচ্ছে এই শালপাতা। হারিয়ে যেতে বসা এক ঐতিহ্য নতুন প্রয়োজনে আবারও জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে—এটাই যেন সময়ের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।





