এই প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮ কোটি টাকা। এই প্রকল্পে অত্যাধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে জমে থাকা বর্জ্যকে তিনটি ভাগে আলাদা করে তৈরি হবে সম্পদ। প্লাস্টিক, বায়ো সয়েল অর্থাৎ জৈব মাটি, স্টোন চিপস অর্থাৎ পাথরের টুকরো। এর মধ্যে বায়ো সয়েল থেকে পরবর্তীতে জৈব সার তৈরি করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ওই সংস্থা। ইংরেজবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জানান, “একই সময়ে একটি আধুনিক মেশিনের মাধ্যমে এই তিন ধরনের উপাদান পৃথক করা সম্ভব হবে।
advertisement
প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার টন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ করা হবে প্রতিটি প্লটে। ইংরেজবাজার পুরসভার বাইপাস সংলগ্ন প্ল্যান্ট এবং কাঞ্চনটার ও বাহাদুরপুর এলাকায় একযোগে এই কাজ চলবে। প্রক্রিয়াজাত প্লাস্টিক ও অন্যান্য উপকরণের একটি অংশ গুজরাত সহ বিভিন্ন রাজ্যে পাঠানো হবে পুনর্ব্যবহারের জন্য।” প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ সরফরাজ জানান, “অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বর্জ্য থেকে আলাদা করা হবে প্লাস্টিক, পাথর ও জৈব মাটি। এতে একদিকে যেমন পুরনো ডাম্পিং গ্রাউন্ড পরিষ্কার হবে, অন্যদিকে আবর্জনা থেকেও তৈরি হবে ব্যবহারযোগ্য উপকরণ।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অন্যদিকে শহরের বাসিন্দা সৌমেন্দু রায় বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে শহরে জমে থাকা আবর্জনা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই ধরনের প্রকল্প শুরু হওয়ায় শহর পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশও উপকৃত হবে।” এই প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে যেমন পুরনো জঞ্জাল অপসারণ করা হবে, অন্যদিকে আবর্জনা থেকেই তৈরি হবে মূল্যবান সম্পদ। যা মালদহ শহরকে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এবং আর্থিক দিক থেকেও উন্নতি ঘটাবে।





