মমতা বলেন, ‘‘এই নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় এক বার এক পুলিশের হাত ভেঙেছিল। আমি গামছা দিয়ে বেঁধে দিয়েছিলাম। সব মনে আছে। বহু বার কৃষ্ণনগরে এসেছি। নদিয়ায় আমি অনেক বার এসেছি। অনেক কিছু করেছি এই জেলার জন্য। এখন বিজেপি তা নিয়ে দালালি করছে। এই যে শাড়ি পরে আছি এটাও আপনাদের এখানের।’’
কমিশনকে রিঙ্কু তরফদারের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে কমিশনকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর৷ তিনি বলেন, ‘‘নদিয়ায় বিএলও-র কাজ করতে গিয়ে মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে মারা গিয়েছেন রিঙ্কু তরফদার। সুইসাইড নোটে কমিশনকে দায়ী করে গিয়েছেন। সেই বিষয়টার কী হল? বাংলায় কথা বললেই ঘুষপেটিয়া আর রোহিঙ্গা! আপনিও তো এঁদের ভোট পেয়েছেন। তাহলে আপনি আগে পদত্যাগ করুন। অযোধ্যা দিয়ে উত্তরপ্রদেশ থেকে সিআরপিএফ নিয়ে আসছে বিজেপি। কিন্তু এটা ২৫ দিনের খেলা। তার পরেই ওরা বুঝবে ঠেলার নাম বাবাজি।’’
advertisement
তিনি আরও বলেন, ‘‘পাকিস্তানের মন্ত্রী কলকাতাকে নিশানা করার কথা বলেন কী করে? কেন মোদী গতকাল এসে বললেন না যে পদক্ষেপ করব? কেন চুপ? পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ করা হল না? মন্ত্রীকে দিয়ে কে এমন কথা বলিয়েছেন? তদন্ত চাই। আমরা কলকাতাকে আক্রমণের কথা বললে মানব না। মোথাবাড়ির ঘটনার সময় আপনি কোথায় ছিলেন? কোনও হামলাকে আমরা সমর্থন করি না। কিন্তু আপনারা ‘মিম’ নামক সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। দোষীদের গ্রেফতার না করে নির্দোষদের করছেন।’’
আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে তামিলনাড়ুতে পাঠিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, ‘‘সুপ্রতিমকে তামিলনাড়ুতে পাঠিয়ে দিলেন! লজ্জা করে না? সব অফিসারকে ওই রাজ্যে পাঠাচ্ছেন। এত ভাব কিসের? নিশ্চয়ই ভিতরে ভিতরে কংগ্রেস আর স্ট্যালিনের সঙ্গে কোনও বোঝাপড়া আছে।
নন্দীগ্রামে কমিশনার গিয়েছিলেন দেখলাম। সঙ্গে বিজেপির লোকজন ছিল। তাহলে প্রমাণ হয়ে গেল বিজেপির সঙ্গে কমিশনের যোগ আছে। বাইরে থেকে টাকা ঢুকছে। মাদক আর অস্ত্র ঢুকছে। আমরা প্রমাণ ছাড়া কোনও কথা বলি না। সময় মতো ঠিক ভিডিয়ো বার করব।’’
